২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগে ভারতের ক্রিকেটের জন্য বড় মাথাব্যথা তৈরি করেছে একটি গুরুতর ঘটনা। যুক্তরাষ্ট্রের এক খুবই পরিচিত ও প্রশংসিত ক্রিকেটার, অ্যারন জোন্সকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে সব ধরনের ক্রিকেট খেলা থেকে। এ সিদ্ধান্ত তার বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগের কারণে। আইসিসি সূত্র জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে পাঁচটি ভিন্ন ধরণের দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, যা মূলত বার্বাডোজে ২০২৩-২৪ মৌসুমে অনুষ্ঠিত ‘বিম-১০’ টুর্নামেন্ট কেন্দ্রিক। এই টুর্নামেন্টে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকা, অন্যকাউকে প্ররোচিত করা, সন্দেহজনক প্রস্তাব পাওয়ার পর তা জানান না দেওয়া ও তথ্য গোপন করার মতো গুরুতর অপরাধে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি ক্যাম্পে থাকা অবস্থায় এই অভিযোগের কমিশন সদস্যরা জোন্সের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন। এই ক্যাম্পে তিনি শ্রীলঙ্কায় চলমান প্রশিক্ষণ দলে ছিলেন এবং নির্বাচিত ১৫ জনের মধ্যে তার থাকা নিশ্চিত মনে করা হচ্ছিল। তবে আইসিসি এই অবস্থায় তার স্বপক্ষে যুক্তি শোনার জন্য ১৪ দিন সময় দিয়েছে। এ অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে, এই ব্যাপক তদন্তের মোট অংশ এবং ভবিষ্যতে অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। অ্যারন জোন্স ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে ৫২টি ওয়ানডে এবং ৪৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও নিয়মিত অংশ নিয়েছেন। তবে এই দুর্নীতির অভিযোগের কারণে তার ভবিষ্যৎ নাঢ় হয়ে গেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেট মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আপাতত তাকে সব ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রম থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসর সামনে রেখে দেশের ক্রিকেটের জন্য এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।






