চলমান বছরেই পবিত্র হজের জন্য আগ্রহী বাংলাদেশি যাত্রীরা এখন থেকে শুরু করে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে, এবং আবেদন কার্যক্রম চলবে ২০ মার্চ পর্যন্ত। সৌদি আরবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে পবিত্র হজের তারিখ নির্ধারিত হবে, যা ভবিষ্যদ্বাণীত অনুযায়ী আগামী ২৬ মে পালিত হবে। এই সাময়িক কার্যক্রমের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়া।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের হজের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যারা ইতিমধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন, তাদের জন্য সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো আবশ্যক। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল এই স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি হজযাত্রীর নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং টিকাদান সম্পন্ন করে স্বাস্থ্যের স্বচ্ছতার জন্য অনলাইন বা প্রিন্টেড ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে। এই ফিটনেস সনদ ছাড়া কাউকে হজের জন্য সৌদি আরব যেতে দেওয়া হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, নিবন্ধিত বাংলাদেশি হজযাত্রী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা সৌদি আরবের ‘নুসুক মাসার’ (Nusuk Masar) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার আবেদন সম্পন্ন করবেন। এই সময়ের বাইরে আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই সব নিবন্ধিত যাত্রীরাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা গ্রহণ ও ফিটনেস সনদ সংগ্রহের মাধ্যমে ভিসার আবেদন নিশ্চিত করার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।
এছাড়া, জানা গেছে, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে প্রথম হজ ফ্লাইট ঢাকামুখী হতে পারে, যেখানে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দেবেন। হজের সুষ্ঠু ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার জন্য সময়মতো ভিসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা এখনও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেননি, তাদের দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো যাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পালন করা। সৌদি ও বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যেন এবারের হজ সম্পন্ন হয় নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে।






