গোপালগঞ্জে upcoming ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি তুঙ্গে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলায় মোট ৩৯৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮৫টি কেন্দ্রকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বা অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর অর্থ, জেলার মাত্র ১২টি কেন্দ্র সাধারণ তালিকায় রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এক শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান জানান, অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে ৩৮৫টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়া, প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রকে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারিতে রাখা হবে এবং নির্বাচনী এলাকায় বিশৃঙ্খলা রুখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা টহল দেবেন। প্রশাসন স্পষ্টত উল্লেখ করেছে, কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।
জেলার পঞ্চটি উপজেলার মধ্যে নির্ধারিত ১২টি সাধারণ কেন্দ্রের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কেড়াইলকোপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাঘিয়ারঘাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কোটালীপাড়া উপজেলার কুরপালা ও পুণ্যবতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, cùng মুকসুদপুরের প্রভাকরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাড়লগাতী কে. এম. উচ্চ বিদ্যালয় ও শিমুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া, কাশিয়ানী উপজেলার গিরিশচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় ও পিঙ্গুলিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স, বীণাপানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বীণাপানি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ও এই তালিকার মধ্যে রয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, যেন ভোটাররা ভয় বা শঙ্কার মুখে না পড়ে তারা সশরীরে কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত। ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তর ও বাইরের পুরো পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখতে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য বাহিনী সমন্বিতভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তাrellas করতেই প্রশাসন কঠোরভাবে নজরদারি চালাচ্ছে। মূল লক্ষ্য হলো, জনগণের রায় যেন সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত, একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য।






