ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির প্রথম ধাপ থেকে প্রাপ্ত পুরো ৫০ কোটি মার্কিন ডলার দেশের সরকারকে ফেরত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) এক মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, যা বার্তাসংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। ওই কর্মকর্তা এও জানিয়েছেন, সম্প্রতি ২০ কোটি ডলার ভেনেজুয়েলায় পাঠানোর মধ্য দিয়ে প্রথম পর্যায়ের অর্থপ্রদান শেষ হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ভেনেজুয়েলা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমত তেল বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত এই পুরো অর্থ গ্রহণ করেছে। এই অর্থים এখন ভেনেজুয়েলার জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে মার্কিন কংগ্রেসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উল্লেখ করেন যে, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছিল স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ, যার মূল লক্ষ্য ছিল দেশটির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সাধারণ জনগণের সহায়তা। তিনি বলেন, “আমরা ভেনেজুয়েলাকে তাদের নিজস্ব তেল ব্যবহার করে অর্থ আয় করার সুযোগ দিয়েছি। এর ফলে শিক্ষক, দমকলকর্মী, পুলিশসহ সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেওয়া সম্ভব হবে এবং দেশের মৌলিক কার্যক্রম চালু থাকবে। এর ফলে পুরো ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে না।”
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ভেনেজুয়েলার সরকার যাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ পায়, সেজন্য এই অর্থ একটি অস্থায়ী ও স্বল্পমেয়াদি তহবিলে রাখা হয়েছিল। ভবিষ্যতে এই তেল বিক্রির আয় নির্দিষ্ট একটি তহবিলে জমা দেওয়া হবে, যেখানে নিয়ম অনুসারে ভেনেজুয়েলা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির ব্যয় মেটানো হবে। উল্লেখ্য, ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো আটক হন, এবং তার পর থেকেই ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে এক রাজনৈতিক চুক্তির অংশ হিসেবে এই তেল বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়।






