বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে চলেছে ব্যাপক উল্লম্ফনে; এখন প্রতি আউন্সের মূল্য আবারও পাঁচ হাজার মার্কিন ডলারের ওপরে উঠেছে। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে স্বর্ণের দাম বেড়ে ২ শতাংশের বেশি বাড়ছে এবং পৌঁছে যায় ৫,২২৩ ডলারে। এর আগে এপ্রিলের লেনদেনে স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি আউন্স প্রায় ৫,৪৬ ডলার। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুসারে, এক সপ্তাহের মধ্যে দর পতনের পর এই রেকর্ড উচ্চতায় ফিরে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম হওয়া এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ইতিবাচক সংবাদ বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর আভাস দেয়, যা স্বর্ণের বাজারকে দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে স্বর্ণের দাম আবারও তুঙ্গে উঠছে। স্বর্ণবাজারের বিশ্লেষক ওয়ং বলেন, “জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যসূচক প্রত্যাশার চেয়ে কম এসেছে, একই সঙ্গে শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান বেড়েছে—এই দুই কারণ স্বর্ণের দামের বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”
দেশীয় বাজারেও এর প্রভাব দৃশ্যমান, যেখানে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সর্বশেষ ৯ ফেব্রুয়ারি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে বলে, ২২ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এর আগে, ৮ ফেব্রুয়ারি এই দাম ছিল দুই লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দর ছিল পাঁচ হাজার ১৭ ডলার।
অষ্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ব্যাংক (এএনজেড) এর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী দ্বিতীয় প্রান্তিকে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়তে পারে এবং তা পাঁচ হাজার ৮০০ ডলার পর্যন্ত আরো soared করতে পারে। অন্যদিকে, এশিয়া মহাদেশে স্বর্ণের চাহিদা দুটো চিত্র দেখাচ্ছে। চীনে চান্দ্র নববর্ষের জন্য স্বর্ণের চাহিদা তুঙ্গে থাকলেও ভারতে এই চাহিদা কিছুটা মন্থর। গত শনিবার কলকাতা ও দিল্লির মতো বড় শহরগুলোতে স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি যা কিনে নেওয়া হয়েছে, তা ছিল প্রায় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬৪ রুপি।






