আওয়ামী লীগ বিভিন্ন জায়গায় তারা নতুন অফিস খুলছে এবং দেশের কিছু অংশে গণহত্যাকারীরা ফিরছেন—এই বিষয় নিয়ে বিএনপির موقف জানতে চাইলে, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপি কখনোই প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনি। তারা বিশ্বাস করে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং সংবিধানভিত্তিক পার্লামেন্টারি গণতন্ত্রের। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলীয় মূলনীতি খুবই স্পষ্ট। বিএনপি স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করে এসেছে। ১৯৭১ সালের এই কালো রাতে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরীহ মানুষদের উপর আক্রমণ চালাচ্ছিল, তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। আমরা সেই আদর্শে বিশ্বাসী, যা বহুদলীয় গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে ভিত্তি করে। বিএনপি কখনো একদলীয় বাকশাল শাসনের পক্ষে নয়। আমাদের বিশ্বাস জনগণের শক্তিতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একটি উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল, সবাইকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করে। প্রতিহিংসার রাজনীতি আমাদের কাছে কখনোই বিশ্বাসযোগ্য নয়। এটাই আমাদের নেতা তারেক রহমান বারেবার বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন, আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ ড. মইন খান উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র আমরা বারবার ফিরিয়ে এনেছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্রজনতাদের বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এই গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করব।’ তিনি আজ নরসিংদী-২ আসনের সাংসদ হিসেবে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে পৌঁছেন এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় সবাই তাদের জন্য দোয়া করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতার অজ্ঞাত নায়ককে সম্মান জানাতে এসেছি, তিনি ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি দীর্ঘ সময়ের জন্য বাংলাদেশের স্বৈরশাসনকে পরাস্ত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। অবশেষে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশের জনগণের মার্কসের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ ভোটে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যার নেতৃত্বে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।’ তিনি আরও বলেন, ‘নরসিংদীর ইতিহাসে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেরণা ছিল, যেখানে এই জেলার মুক্তিযোদ্ধারা দেশের জন্য লড়াই করেছিলেন। আজ, সেই শহর থেকে আমাদের প্রতিনিধিরা জাতীয় সংসদে অংশ নিয়ে দেশের জন্য কাজ করছেন। আমরা তাদের জন্য শ্রদ্ধা জানাতে এ এসেছি।’






