এই বছর年底 বাংলাদেশের ক্রিকেট দল একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ সিরিজের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করবে। নভেম্বর ও ডিসেম্বরে চলতে থাকা এই সিরিজে স্বাগতিকরা বিপক্ষে টাইগাররা দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। কেরানিজভনের জোহানেসবার্গের বিখ্যাত ওয়াউন্ডারার্স স্টেডিয়ামে ১৫ নভেম্বর প্রথম টেস্টের মধ্য দিয়ে এই রোমাঞ্চকর সফর শুরু হবে। এরপর ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে দ্বিতীয় টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে। এটি বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য কারণ, দীর্ঘ ১৮ বছর পরে বাংলাদেশ সেঞ্চুরিয়নের মাঠে টেস্ট খেলতে নামবে।
টেস্ট সিরিজ শেষে দুর্দান্ত প্রতিযোগিতার অপেক্ষায় রয়েছে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ১ ডিসেম্বর ইস্ট লন্ডনের মাধ্যমে ওয়ানডে সিরিজের শুরু হবে, যেখানে প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৪ ও ৭ ডিসেম্বর যথাক্রমে গবেরহা ও কেপটাউনে বাকি দুটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই সীমিত ওভারের সিরিজে দুই দলের মধ্যে কৌশল ও শক্তির শক্তিশালী লড়াই দেখার জন্য ক্রিকেট প্রেমীরা অধীর আগ্রহে আছেন।
তারপর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের যুদ্ধ, যা ১০ ডিসেম্বর কিম্বারলিতে প্রথম ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে। এরপর ১২ ডিসেম্বর বেনোনিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি এবং ১৩ ডিসেম্বর সেঞ্চুরিয়নে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ সফর সমাপ্ত হবে।
বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা এই সফরের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষ করে সুপার এইটে ভারতের বিপক্ষে বিশাল জয় প্রাপ্তির মাধ্যমে প্রোটিয়াদের আত্মবিশ্বাস অনেকগুণ বেড়ে গেছে। এই সফরের সূচি প্রকাশের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড তাদের ২০২৬-২৭ মৌসুমের আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারও ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ শেষ করার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে। বাংলাদেশের জন্য এই সফরে কীরকম কন্ডিশনে খেলা হবে, তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং নিজেদের সেরাটা প্রমাণ করাই হবে এটির মূল লক্ষ্য।






