জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) আসন্ন নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থী পরিবর্তন হয়েছে। পূর্বে মনোনীত ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, কিন্তু নবনির্বাচিত সরকারের উদ্যোগে বর্তমানে বাংলাদেশ এই পদের জন্য নতুন প্রার্থী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চূড়ান্ত করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রেহমান ইতিমধ্যেই ড. খলিলুর রহমানের প্রার্থীতার অনুমোদন দিয়েছেন, এবং শিগগিরই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
আগামী জুন মাসে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে এশিয়া মহাদেশ থেকে সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার আশা রয়েছে। শুরুতে বাংলাদেশের পাশাপাশি প্যালেস্টাইন ও সাইপ্রাসও নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে ছিল, তবে কূটনৈতিক সূত্র বলছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্যালেস্টাইন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে। যদি অন্য কোনো দেশ এখন প্রার্থী না নামে, তবে বাংলাদেশের সঙ্গে সাইপ্রাসের প্রার্থীর সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই পদটি বাংলাদেশের জন্য খুবই সম্মানজনক এবং কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে বাংলাদেশের প্রখ্যাত কূটনীতিক হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে দেশের গর্বিত ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। দীর্ঘ সময়ের বিরতির পরে আবারও এই গৌরব অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা নতুনভাবে কূটনৈতিক চেষ্টায় উদ্যোগী হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার এক বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দেশের কূটনৈতিক মহল এই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।






