আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির নির্বাচনী নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের প্রার্থীরা। যদিও এ বিষয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে বাংলাদেশ থেকে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে এই পদে মনোনীত করা হয়েছিল। তবে দায়িত্বে পরিবর্তনের কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে নতুন প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।
এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিশ্চিত করেন এবং ভোটের আগে জোরদার কূটনৈতিক প্রচারণার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
আগামী সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হলেও তার আগে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক নীতিমালা অনুযায়ী, এবার এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটস থেকে একজন সভাপতি নির্বাচিত হবে।
বিশেষ করে, কিছু গুঞ্জন থাকলেও শেষ মুহূর্তে ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। তারা ব্যাখ্যা করে, কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক চাপের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
বাংলাদেশ এর আগে ২০২১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচন হয়েছিল। এছাড়া, ২০১৬-১৭ সালে ৭১তম অধিবেশনে yardımcı হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রায় চার দশক পর এই প্রথমবার সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বীতার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অংশ নিচ্ছে।
এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থিয়ান সুয়ে, পাশাপাশি ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান (ইউএলএ)-এর চেয়ারম্যান ও আরাকান আর্মির প্রধান ত্বান ম্রাত নাইং।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাক্ষাৎকারে বলছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে আরাকান আর্মির প্রধান বলেন, তিনি এই নতুন দায়িত্বে সুন্দর ও টেকসই সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ও আরাকান মিলে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা বলেন, এই পরিস্থিতিতে বন্ধুত্বের নতুন দ্বার প্রশস্ত হয়েছে এবং দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে।






