দেশের প্রধান পোশাক খাতের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বিজিএমইএ সম্প্রতি একটি মহৎ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যা সংশ্লিষ্ট নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং সরকারী নীতিনির্ধারকদের জন্য বিশেষ সংবর্ধনা ছিল। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ১৬ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এবং একজন উপদেষ্টা রয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবে এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিদের সফলতা ও অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এই অনুষ্ঠানে বললেন, ‘আপনাদের প্রত্যেকে যেন নিজের এলাকার সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে সংসদে কথা বলেন, পাশাপাশি আমাদের এই শিল্পের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুন। পোশাক শিল্পের অগ্রগতি মানেই দেশের অর্থনীতির অগ্রগতি। এই বিশ্বাসে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শিল্পের গুরুত্ব বোঝেন এবং রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ ও সুষ্ঠু নীতির পক্ষে কার্যকরীয় ভূমিকা রাখবেন।
উপরন্তু, বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান মন্তব্য করেন, ‘পোশাক খাত আমাদের দেশের শিল্পের প্রাণ, যা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও জাতীয় অর্থনীতির চালিকা শক্তি। তিনি বিশ্বাস করেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা এই শিল্পের জন্য উপকারী হবে, তারা প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেবেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অতিথিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মন্ত্রীর মধ্যে রয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, শিল্প, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর এবং প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
এছাড়াও, বিভিন্ন সংসদ সদস্য—জয়নুল আবদিন ফারুক, এরশাদ উল্লাহ, এস এম ফয়সল, মো. খালেদ হোসেন মাহবুব, মো. আবুল কালাম, মো. লুৎফর রহমান, মো. মুহাম্মদ জাকির হোসেন, মো. আব্দুল্লাহ, মো. আবদুল হান্নান এবং মো. শাহাদাত হোসেন—কে গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। এই অনুষ্টানে অংশ নেওয়া বিশেষ ব্যক্তিবর্গের এই সম্মাননা তাদের সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত অবদানকে স্বীকৃতি দেয়।






