রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বাখরাবাদ ও কুচাইতলী এলাকায় অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অভিযানে পাওয়া اطلاعات অনুযায়ী নষ্ট ও পোকায় খাওয়া মরিচ ভালো মরিচের সঙ্গে মিশিয়ে গুঁড়া করার অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানটি বুধবার (১১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলতে থাকে। অভিযানের সময় হাতেনাতে দেখা যায় যে একটি মসলা কারখানায় ভালো মরিচের সঙ্গে অধিক পরিমাণ নষ্ট ও পোকায় খাওয়া মরিচ মিশিয়ে মসলা প্রস্তুত করা হচ্ছিল।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী ‘আল-আমিন ফুড গ্রেইন মসলার’ মিলটি ধরা পড়ে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ভোক্তা প্রতারণার দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়। অভিযানকারীরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নোংরা ফ্লোরে মরিচ ও হলুদের গুঁড়া ভরার ও প্রক্রিয়াজাত করাসহ অন্যান্য অধঃপতিত নিয়মভঙ্গকেও শনাক্ত করেন।
একই অভিযানে বাখরাবাদ এলাকা থেকে আরও একটি রেস্টুরেন্ট ‘বাখরাবাদ মাটির হাড়ি’-কে বাসি উপকরণ সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতির দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। এ সময় জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. জুয়েল মিয়া, স্যাম্পল কালেক্টর মো. নাজমুস সাকিব ও অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দলও সার্বিক সহযোগিতা করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর জানিয়েছে, জনস্বার্থে পরিবেশগত ও খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং ন্যায্য মূল্য ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা হবে। ভোক্তাদেরও বলা হয়েছে অনিরাপদ বা সন্দেহজনক পণ্য দেখলে অভিযোগ জানানোর জন্য।






