• প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
Tuesday, May 26, 2026
Daily Nobojug
No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
Morning News
No Result
View All Result
Home আন্তর্জাতিক

ইরান সংঘাতে নীরব কৌশল নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিতঃ 14/03/2026
Share on FacebookShare on Twitter

চলমান ইরান সংঘাত ও মার্কিন ক্ষমতাসীন নেতাদের অনিশ্চিত নীতির প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি একটি কঠিন পরীক্ষা সামলাচ্ছে। ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণকে মাথায় রেখে অনেকটাই ‘চুপ’ থাকার কৌশল বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতের অভ্যন্তরীণ কূটনীতিক ও নীতিনির্ধারকরা দীর্ঘদিন ধরে মনে করেন, বিশ্ববিজ্ঞপ্তিতে শেষ কথা বলে শক্তিধর দেশগুলো। আন্তর্জাতিক আইন বা চুক্তি সবসময়ই শক্তির ব্যবহার ঠেকাতে পারে না—এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই পশ্চিমা মিত্রদের সরাসরি সমালোচনা জানিয়েছে দিল্লি, বিশেষ করে যখন তারা ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সমালোচনা করছিল। অনেক ভারতীয় কর্মকর্তা মনে করেন, ট্রাম্পের নীতি আসলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক স্বার্থকে তুলে ধরে—অর্থাৎ স্বার্থেই উত্তম।

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ও ভারতের অবস্থান বড় ধরনের তর্কের বিষয় হয়েছিল। ২০২২ সালে মস্কোর বিরুদ্ধে সরাসরি তীব্র অবস্থান নিতে ভারত কম নম্বর দিয়েছে; এর পেছনে কূটনীতিকদের যুক্তি ছিল, বিশ্বরাজনীতিতে শক্তিধর রাষ্ট্রদের আচরণ প্রায়ই নির্মম এবং পুরনো ‘নিয়মভিত্তিক’ ব্যবস্থাটি পশ্চিমাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রাইসিনা ডায়লগে এই মর্মেই বলেছেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা মূলত পশ্চিমাদের সুবিধার জন্য নির্মিত — এবং সেই ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে তা জটিল হলেও সাম্যের নতুন সুযোগও আসতে পারে।

তবে দিল্লির কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে সবেই এই আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি নেই। অনেকেই উদ্বিগ্ন যে ইরান কেন্দ্রিক সংঘাত ভারতের জ্বালানি ও সামরিক প্রয়োজনে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। যদি হরমুজপ্রণালীতে জাহাজচলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে বা কাতারের মতো বড় এলএনজি রপ্তানিকারক দেশগুলোর সরবরাহ থেমে যায়, তাহলে বাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে, সেটি বাংলাদেশ কিংবা ভারতসহ অঞ্চলের জন্য মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

রাইসিনা ডায়লগ চলাকালে ট্রাম্প প্রশাসন এক পর্যায়ে ঘোষণা দিয়েছিল যে নির্দিষ্ট শর্তে নিষেধাজ্ঞাভুক্ত রুশ তেল ভারত সাময়িকভাবে কিনতে সক্ষম হবে। এই সদয়তা উপলব্ধি না করে কিছু ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা এটিকে এক ধরনের ‘অনুমতির চিঠি’ হিসেবে দেখেছেন, যার কারণে দেশীয় সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণে কিছুমাত্র অসুবিধা হচ্ছে। এ উদ্বেগ আরও জোরালো হয়েছে যখন সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ মন্তব্য করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র চীনের সঙ্গে করা যে ভুলগুলো করেছে, ভারতের ক্ষেত্রেও সেরকম শর্তাবলী আরোপ করা হতে পারে না—এই রকম মন্তব্য ভারতীয় কৌশলগত মহলে সন্দেহের উদ্রেক করেছে।

কূটনীতিকদের মতে মোদি সরকারের আপাত নীরবতার পেছনে এক বড় কারণ হলো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার ভীতি। তাদের আশঙ্কা, যদি আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক অবনতি ঘটে তাহলে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত পূর্বশ্রীতিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা প্রায় কোটি-ছাড়াও ভারতীয় শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও রেমিট্যান্স ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে—এটা দেশের অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলবে।

ভারত দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইসরায়েল ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে; ইরানের সঙ্গেও সম্পূর্ণভাবে সম্পর্ক ভাঙেনি, কারণ আফগানিস্তানে স্থলপথ ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ইরান ভারতের জন্য কৌশলগত গুরুত্ব রাখে। কিন্তু অনেকে মনে করেন এই ‘ভারসাম্য নীতি’ দীর্ঘমেয়াদে ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতা দুর্বল করে—দেশটি বহুবিধ জোরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে।

যদি যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়, তখন ভারতের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়বে। জ্বালানি সঙ্কটের ফলে চীন রাশিয়ার তেল আরও বেশি কিনতে পারে; ফলে রাশিয়া-চীন মধ্যকার ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেলে তা ভারতের কৌশলগত অবস্থান কঠিন করে তুলবে—কারণ ভারত একই সঙ্গে রাশিয়ার অস্ত্রসংস্থান ও চীন–ভারতের সীমান্ত উত্তেজনার ঝুঁকিতে রয়েছে। ওপরন্তু নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে বড় পয়সা ঢাললেও সরবরাহ শৃঙ্খলে চীনের প্রাধান্য ভারতের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে পারে—সোলার প্যানেল, উইন্ড টারবাইন ও ব্যাটারির ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব সহজে কাটানো যাবে না।

সংক্ষেপে, ইরান কেন্দ্রিক সংঘাত ও বড় শক্তিগুলোর অনিশ্চিত নীতি ভারতের জন্য কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক জটিলতার নতুন ফসল বয়ে আনছে। মোদি সরকারের নীরবতা কি দীর্ঘমেয়াদে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবে, নাকি তা নতুন ঝুঁকি তৈরির সূত্রপাত করবে—এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

সর্বশেষ

রাজধানীসহ দেশে মৃদু ভূমিকম্প, মাত্রা ৩.৬

May 26, 2026

জঙ্গল সলিমপুর হামলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

May 26, 2026

প্রধানমন্ত্রী ও জায়মা নিয়ে মন্তব্য: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে লিগ্যাল নোটিশ

May 26, 2026

রিজভী: শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি তার স্বভাবসুলভ রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি

May 26, 2026

নেতানিয়াহুর নির্দেশে লেবাননে ইসরায়েলের তীব্র বিমান হামলা

May 26, 2026

বেইজিংয়ে স্বাক্ষর: চীন-পাকিস্তানের সঙ্গে ১২২ কোটি ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি

May 26, 2026
Daily Nobojug

হাউজ নং ৫৯৪, ৯৮, কাওরান বাজার
ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ইমেইলঃ [email protected]
বিজ্ঞাপনঃ [email protected]

সম্পাদকঃ ইসরাত রশিদ

সহ-সম্পাদক- জনি জোসেফ কস্তা

সিনিয়র সহ-সম্পাদকঃ নুরুল হুদা

উপদেষ্টাঃ নূর মোহাম্মদ

প্রকাশকঃ আলী আমিন ও মোহাম্মদ ওমর সানী

  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.

No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.