ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে। সেহরির পর থেকেই ঢাকার প্রধান বাস টার্মিনালগুলো—মহাখালী, কল্যাণপুর ও গাবতলী—যাত্রী ভিড়ের মুখে পড়েছে।
অধিকাংশ বাস নির্ধারিত সময়মতো ছেড়ে যাওয়ার খবর মিললেও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের টিকিট বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় কম। তারা জানান, চলমান জ্বালানি সংকট ও খরচ বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে যাত্রী পরিবহনে। তবে তাদের আশা, সন্ধ্যার পর আরও বেশি যাত্রী বের হবে এবং চাপ বাড়বে।
যাত্রীদের কথায়, অতীতের তুলনায় টিকিট পাওয়ায় তেমন অসুবিধা হয়নি। অনলাইনের মাধ্যমে ন্যায্য দামে টিকিট পাওয়া সহজ হয়েছে বলে অনেকেই জানিয়েছেন। তবু তৎক্ষণাৎ বা লাস্ট-মিনিট যাত্রার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৫০ থেকে ১০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগও আছে।
রেলপথেও উৎসবের ছুটির প্রভাবে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রী চাপ বেড়েছে। বুধবার সকালে বিভিন্ন রুটের ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে এবং অনেক যাত্রী বলছেন যে ট্রেনে যাতায়াত তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন ছিল।
রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান জানান, শিডিউল বিঘ্নিত না হয়ে যাত্রা সুষ্ঠুভাবে চলবে সে লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত যাত্রীচাপের সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষ ট্রেনের ছাদে ওঠার মতো নিয়মভঙ্গও করছেন, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। রেল কর্তৃপক্ষ এই আচরণ রোধে কড়া নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাকি ঈদযাত্রা যাতে আরামদায়ক ও নিরাপদ হয় তা নিশ্চিত করতে যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সচেতনভাবে চালাতে হবে।






