পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি সরকার ও রাজনৈতিক দলকে আলাদা রাখার স্বার্থে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে সরে গেছেন। তিনি ওই পদত্যাগের ঘোষণা শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর হাতিরপুলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেন।
সাকি জানান, ‘‘সরকার ও রাজনৈতিক দলকে সাংগঠনিকভাবে পৃথক রাখার স্বার্থে আমি দলীয় প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’’ একই অনুষ্ঠানে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দেওয়ান আবদুর রশিদ নিলুকে দায়িত্ব গ্রহণ করার কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সাকি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত চলমান বিতর্ক নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চললেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামতই প্রাধান্য পাবে।
পটভূমি হিসেবে বলা যায়, গত বছরের ৩ নভেম্বর সাভারে অনুষ্ঠিত গণসংহতি আন্দোলনের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন এবং ওই সম্মেলনে ৫৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক হিসেবে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাকি। পরে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সময় তিনি প্রথমে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান; বর্তমানে তিনি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
দল ও সরকারের পদমর্যাদা আলাদা রাখার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতৃত্বে এই পরিবর্তনকে একটি স্বতন্ত্র পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।






