আইপিএলের ইতিহাসে নতুন একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে ব্যক্তিগতভাবে বড় ইনিংস না খেললেও কোহলি এখন এমন একজন খেলোয়াড় যাঁর নাম নির্দিষ্ট কোনো এক দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে আছে। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৩৬ ম্যাচে তার সংগ্রহ now ১১৭৪ রান, যা আগে রোহিত শর্মার নামেই ছিল — রোহিত কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৩৬ ম্যাচে ১১৬১ রান করেছিলেন।
টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে বেঙ্গালুরু শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে নেমে মাঠে আধিপত্য বিস্তার করে। ওপেনার ফিল সল্ট ও বিরাট কোহলির উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৪.৩ ওভারে ৩৭ রান যোগ হয়ে ইনিংসের ভিত্তি গড়ে ওঠে। যদিও ১৮ বলে ২৮ রান করে কোহলি সাজঘরে ফেরেন, কিন্তু তবু তিনি ইতিহাস গড়তে সক্ষম হন।
কোহলি চলে গেলেও ব্যাটিং র পথ থেমে থাকেনি। তৃতীয় দিকে নামা দেবদূত পাড্ডিকাল মাত্র ২৯ বলে আধা সেঞ্চুরি (৫০) পূর্ণ করে ক্রমাগত আগ্রাসী ক্রিকেট দেখান। চতুর্থ নম্বরে নামা রজত পাতিদার ছিলেন প্রকৃতই ঝড়ো — মাত্র ১৯ বলেই ৪৮ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন এবং দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন। ওপেনার ফিল সল্টও ৩০ বলে ৪৬ রান করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ইনিংসের শেষপর্যায়ে ঘূর্ণিঝড়ের মত উপস্থিতি দেখান টিম ডেভিড। মাত্র ২৫ বল খেলে তিনটি চার এবং আটটি বিশাল ছক্কায় ৭০ রানের অবিশ্বাস্য অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। ডেভিডের এই বিধ্বংসী ব্যবহারে নির্ধারিত ২০ ওভারের শেষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু দাঁড়ায় বিশাল ২৫০ রানে, তিন উইকেট হারিয়ে।
ম্যাচে চেন্নাইয়ের বোলাররা নানা চেষ্টা করলেও শেষের ধাক্কা সামলাতে পারলেন না। বিরাট কোহলির রেকর্ড ছোঁয়ার দিনের সঙ্গে সঙ্গে বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং লাইনআপের একাকার আক্রমণে চেন্নাইকে রানের স্রোত থামানো মুশকিল হয়ে উঠেছিল।
এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে চেন্নাই কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারে — সেটাই এখন ম্যাচের ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করবে। বেঙ্গালুরুর রানের পাহাড়কে সামনে রেখে প্রতিপক্ষের চাপ কতটা বাড়ে, তা দেখতে আগ্রহ থাকবে প্রতিটি ক্রিকেটপ্রেমীর।






