দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহ এপ্রিলে শক্তিশালীভাবে অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম সাত দিনে (১-৭ এপ্রিল) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৮২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২৯.৫ শতাংশ বেশি।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বললেন, একদিনে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হিসাবে ৭ এপ্রিল দেশে এসেছে ১৬৩ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে গত বছর ওই সাত দিনের রাজস্ব ছিল ৬৩৬ মিলিয়ন ডলার।
অর্থাৎ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২৭,০৩২ মিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় (২২,৪২১ মিলিয়ন ডলার) চার্থাংশের বেশি — বছরওয়ারি বৃদ্ধি ২০.৬ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর জন্য প্রণোদনা, হুন্ডি প্রতিরোধে কড়া নজরদারি এবং প্রবাসী কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি—এই তিনটি কারণ রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হওয়ার দিকে যাচ্ছে, যা অর্থনীতিবিদরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।
এর আগে গত মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ৩,৭৫৫.০৫ মিলিয়ন ডলার), যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে পাওয়া সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
বিশ্লেষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, বৈধ চ্যানেল ও নিয়ন্ত্রক উদ্যোগ বজায় থাকলোে এ প্রবণতা স্থায়ী হতে পারে এবং এ থেকে দেশের মুদ্রানীতি ও আর্থিক স্থিতিশীলতায় সহায়তা মিলবে।






