এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (LOAB) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক দেশীয় পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করার অনুরোধ জানিয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ আহ্বান জানিয়ে উল্লেখ করেছেন, যারা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের একটি পত্রে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাহক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বোতলজাতকারী এলপিজি কোম্পানিগুলো সরকারের নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার সরবরাহ করলেও পরে সরবরাহ চেইনে অনিয়ম হচ্ছে।
আমিরুল হক বলেন, ইতোমধ্যেই জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের এই অনিয়ম প্রতিরোধে অভিযান চালিয়ে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই সময় জনদুর্ভোগ কমানো LOAB-এর নৈতিক দায়িত্ব।
অতএব এলপিজি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার আবেদন করছেন তিনি। এছাড়া অনিয়ম বা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির যে কোনো ঘটনা থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজিতে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছিল; প্রতি কেজিতে বেড়ে হয়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ১,৭২৮ টাকা। বিএআরসি জানায়, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা; এই ভিত্তিতেই বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।
LOAB প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সরকারি মূল্য বাস্তবায়নে সকল স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা জরুরি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।






