সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে, মঙ্গলবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারেই সূচকের মিশ্র চলন আর লেনদেনের পরিমাণে সুস্পষ্টভাবে হ্রাস দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) — দুই বাজারেই গত দিনের তুলনায় মোট হাতবদল কমেছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের তুলনায় ১০ পয়েন্ট নেমে ৫,২৬৭ পয়েন্টে এসে ঠেকেছে। অন্যদিকে ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ২,০১৭ পয়েন্টে নেমেছে, কিন্তু শরিয়াহ সূচকে দিনভর ৫ পয়েন্টের উত্থান দেখায় এটি ১,০৬০ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
লেনদেনের দিক থেকে ডিএসইতে মঙ্গলবার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মোট হাতবদল ছিল ৮৩২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এটি সোমবারের ৮৭৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কম।
বাজারের অংশগ্রহণও ছিল ঝরঝরে নয় — ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে লেনদেন হয়। এদের মধ্যে ২২৭টির শেয়ারের দর কমেছে, ১০৭টির দর বেড়েছে এবং ৫৯টির মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে দরপতনের সংখ্যাই বেশি হওয়ায় বাজারে যে অনিশ্চয়তা কাজ করেছে তার ইঙ্গিত মিলেছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই এদিন ৩১ পয়েন্ট বাড়ে ১৪,৮১৫ পয়েন্টে উঠে আসে, কিন্তু মোট লেনদেন কমে যায়। সিএসইতে মঙ্গলবার শেয়ার ও ইউনিটের মোট হাতবদল ছিল ১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকার তুলনায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কম।
সিএসইতে মোট ১৯৮টি কোম্পানির শেয়ারে লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ৭৬টির দর 상승, ৯৯টির দর পতন এবং ২৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
অবশেষে বলা যায়, সূচকে মিশ্র প্রবণতা থাকলেও দুই বাজারেই লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়া এবং দরপতনের সংখ্যার আধিক্য এইদিনে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকতে প্ররোচিত করবে।






