মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি আজ দেশজোড়া উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে তার ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন (হুমায়ূন) অন্যান্য পরিচালকদের এবং ঊর্ধ্বতন নির্বাহীদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানিক স্বাগত বক্তব্য দেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এম. এ. খান বেলাল, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল, উদ্যোক্তা পরিচালক এ.এস.এম. ফিরোজ আলম এবং স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম ও প্রফেসর নাসরিন সুলতানা, পিএইচডি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ মোঃ জাকির হোসাইন, শামীম আহমদ, অসীম কুমার সাহা, ড. মোঃ জাহিদ হোসেন ও ড. তাপস চন্দ্র পাল। এছাড়া এসইভিপি মোহাম্মদ ইকবাল রেজওয়ান, মোঃ আব্দুল হালিম, মেইন শাখার প্রধান মোঃ আব্দুল আউয়ালসহ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পুরো দেশে বিস্তৃত ছিল—ব্যাংকের সকল শাখা, উপশাখা ও প্রধান কার্যালয়ের বিভাগগুলোতে কেক কাটা হয় এবং গ্রাহকরা মিষ্টি খেয়ে আনন্দ ভাগ করে নেন।
ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন (হুমায়ূন) তাঁর বক্তব্যে ব্যাংকের গ্রাহকসংখ্যা, শাখা বিস্তার, আমানত সংগ্রহ ও সামগ্রিক অর্জনের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘‘১৯৯৯ সালের ২ জুন যাত্রা শুরু করে গত ২৭ বছরের কঠোর পরিশ্রমে মার্কেন্টাইল ব্যাংক একটি গ্রাহকবান্ধব, বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’’ তিনি ভবিষ্যতেও করপোরেট সুশাসনকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রাহকমনস্ক ব্যাংকিং সেবা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, গ্রাহকদের চাহিদা মোতাবেক সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা আরও বিস্তৃত করা হবে। তিনি জানান, চলতি বছর খেলাপি ঋণ আদায়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং নতুন ঋণ প্রদানে কৃষি, এসএমই ও রিটেইল খাতকে গুরুত্ব দেয়া হবে।
মতিউল হাসান আরও জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে শাখা-উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট বৃদ্ধির পরিকল্পনা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অঙ্গীকার, গ্রাহককেন্দ্রিক নীতি ও ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি বারবার উচ্চারিত হয়, যা ব্যাংকের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে।






