কয়েকটি স্থানীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমে খামেনি’র দাফনের খবর ছড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইরানের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত সাতটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই তথ্য মেহের নিউজসহ কয়েকটি স্থানীয় গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ইরনার উদ্ধৃতিতে জানানো হয়েছে।
মুহূর্তিক রিপোর্ট অনুযায়ী বিস্ফোরণগুলোর মধ্যে দুইটি ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর বুশেহর ও পার্শ্ববর্তী চোঘাদাক এলাকায়। বুশেহর নগর প্রশাসনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিভাগের ডেপুটি গভর্নর এহসান জাহানিয়ান ইরনাকে বলেছেন, শহরের কাছাকাছি একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা দুটি ক্ষেপানস্ত্র বা ড্রোনসদৃশ সমরাস্ত্র ইরানি এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তায় তীব্র শব্দ ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
একই সময়ে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্য শহর কানারাকে দুটি পৃথক বিস্ফোরণregistr করা হয়েছে। কানারাকের গভর্নর মোহাম্মদ ইউনুস হাক্কানি ইরনাকে জানিয়েছেন, সেখানে ইরানি নৌবাহিনীর একটি সেনানিবাস রয়েছে এবং সন্ধ্যার দিকে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান বোমা ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে তদন্তের জন্য উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠিত হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
অপর তিনটি বিস্ফোরণ সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা দায়িত্ব স্বীকারের খবর পাওয়া যায়নি, কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছে।
প্রসঙ্গত, কিছু রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর থেকেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। এই উত্তেজনার প্রেক্ষাপটেও ঘটনার সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এবং বিশ্লেষকরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন।
বর্তমানে ঘটনাস্থল থেকে আরো প্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্ত চলমান; সরকারি ঘোষণা এলে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।






