সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাপক উত্সাহ দেখা গেছে। লেনদেন শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকায় দিনের শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫,৮৪৯ পয়েন্টে পৌঁছায়। বাছাই করা ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএসই-৩০ বেড়ে ২২ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একদিনে মোট ১,৬৬৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটে হাতবদল হয়েছে, যা বিগত প্রায় দুই বছরের মধ্যে একাডেমিক ভিত্তিতে সর্বোচ্চ একদিনের লেনদেন। অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনেও তীব্র গতি ছিল।
বিশদে দেখা গেছে ১৪৭টি ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন বা উচ্চ লভ্যাংশ প্রদানের প্রতিষ্ঠান (১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ) ওই দিনে শেয়ারদামের বৃদ্ধি পেয়েছে, আর মাত্র ৪১টির দাম কমেছে। অন্যদিকে লভ্যাংশ না দেওয়া ‘জেড’ ক্যাটাগরির মধ্যে ৭৬টিরই দরপতন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে ১৯৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, ১৫৬টির দর হ্রাস পেয়েছে এবং ৩৭টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। মিউচুয়াল ফান্ডগুলোতেও দিনটি ছিল ইতিবাচক।
টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষে অবস্থান করেছে লাভেলো আইসক্রিম; এ কোম্পানির শেয়ারের প্রায় ৭০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তালিকার পরের স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন এবং মালেক স্পিনিং। এছাড়া ইস্টার্ন হাউজিং, আইটি কনসালটেন্টস ও জেনেক্স ইনফোসিসের মতো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও সক্রিয়তা দেখা গেছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৭ পয়েন্ট বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়ে মাত্র ১০ কোটি ১১ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে ১৫৪টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, তবে টার্নওভার কম ছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে দৃঢ় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় দীর্ঘসময় পর বাজারে এমন ইতিবাচক মোড় এসেছে। তবে তারা সতর্ক করিচ্ছেন, বাজারোন্মুখ প্রবণতাánsito স্থায়ী কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য পরবর্তী দিনগুলোতে ধারাবাহিকতা দেখার প্রয়োজন আছে।






