পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে গেছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু প্রত্যাশা মতো পারফর্ম করতে না পেরে সফরটি শুরুতেই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। একমাত্র টেস্টে হার ও ওয়ানডে সিরিজে ভরাডুবি হয়েছে; টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও হেরে শুরুতে সমালোচনার মুখে পড়েছিল দল। তবুও শেষ দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে সিরিজ বাঁচিয়ে নায় টাইগাররা। বুধবার সকালে নাজমুল হোসেন শান্তের নেতৃত্বাধীন এই দল বিমানে করে ঢাকায় ফিরে আসে।
বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল দলের পারফরম্যান্স ও ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ে যাওয়ার আগে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারেনি দল, যা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয় কন্ডিশন ও পিচের অস্বাভাবিক বাউন্স সামলানো ব্যাটারদের জন্য কঠিন ছিল। এসব কারণ মিলিয়ে প্রত্যাশিত খেলাটা হাজির করা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, এসব কঠিন পরিস্থিতি থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা সামনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের কাজে লাগবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
জিম্বাবুয়ে পর্ব শেষে দলের দৃষ্টি এখন পরবর্তী সফর—আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়া। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। আশরাফুল অধিকন্তু জানান, মূল সিরিজ শুরু হওয়ার প্রায় ১০ দিন আগে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানো হবে এবং খেলোয়াড়দের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটি তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচও খেলার সুযোগ থাকবে। পর্যাপ্ত সময় পেলে কন্ডিশন অনুকূল করে ভালো পারফরম্যান্স করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সূচি অনুযায়ী প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনে, আর দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই সফরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে—২০০৩ সালের পর দীর্ঘ সময় পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। দুই দশকের বেশি সময়ের বিরতি কাটিয়ে অজিদের কড়া কন্ডিশনে নিজেদের পরীক্ষা দিতে নামায় ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যেই কৌতূহল এবং প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।






