প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এর উদ্বোধন করেন, যেখানে বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই জাদুঘরটি তৈরি করা হয়েছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য। প্রধানমন্ত্রী এদিন ফলক উন্মোচন করে দাপ্তরিক উদ্বোধন সম্পন্ন করেন এবং সকালে তাকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এই উদ্বোধনের বিষয়ে নিশ্চিত করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী কক্ষ ঘুরে দেখেন। সেখানে তিনি সংরক্ষিত দালিলিক প্রমাণ, দুর্লভ আলোকচিত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মারক দেখেছেন, যা আন্দোলনের ইতিহাসের ধারনা দেয়।
সংস্কৃতিমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, উদ্বোধনের দিনটি শুধুমাত্র বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত, তবে সাধারণ জনগণের জন্য এই জাদুঘর ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। মূল উদ্দেশ্য হলো আন্দোলনের চেতনাকে জাগ্রত রাখা ও আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে দৃশ্যমান করে তোলা। এই উদ্যোগ দেশের সংগ্রামী ইতিহাসকে স্মৃতির আসলে অমর করে রাখতে এক অবিস্মরণীয় কাজ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।






