প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রও এই দলের হাত ধরে দেশে আসে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে চলেছে। এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে। এ আলোচনা বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তারেক রহমানের প্রশংসা করেন আইপিইউ নেত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি তার গভীর সম্মান ও অভিমত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকারের এ বছরের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যেখানে দীর্ঘদিনের সংগ্রামের ফল এসেছে। উল্লেখ করেন, বহু নেতা-কর্মী গুম, হত্যা ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। কিন্তু অবশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে আবারও গতি দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে না, সংসদীয় ব্যবস্থাও এই দলের হাতে এসেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের অগ্রগতির জন্য গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য সবাই একযোগে কাজ করবেন। তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দেশের টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। সরকারের নানা উদ্যোগের অংশ হিসেবে সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা, নাগরিকসেবা নিশ্চিত করা এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিই। তিনি নারী শিক্ষার্থীর জন্য বিনামুল্যে উচ্চ শিক্ষা ও উপবৃত্তির পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে নারীর আর্থিক স্বাবলম্বিতা ও পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীরা হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আন্দা ফিলিপ বলছেন, বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি আশা করেন, তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিত আইপিইউর ১৫৩তম বৈঠনে বাংলাদেশের সংসদের স্পিকার যোগ দেবেন, এতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর হবে। নারীর ক্ষমতায়ন ও তরুণ প্রজন্মের প্রশিক্ষণ বিষয়ে তিনি stressing করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন তাঁর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি জানান, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে উচ্চ শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া, ফ্যামিলি কার্ডের উদ্দেশ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো। সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।






