গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাশক এলাকায় গভীর রাতে ঘোড়া জবাইয়ের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) মধ্যরাতে এলাকাবাসীর দায়িত্বশীল ও সতর্ক আঙুলের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি পরিত্যক্ত গরুর খামারে অভিযান চালিয়ে ৮টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস এবং ১১টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করে। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই অপরাধী চক্রের মূল হোতারা সতর্কতা স্বরূপ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই চক্রটি একটি ঘোড়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে জড়িত, যারা অসৎ উদ্দেশ্য ও লাভলোভের জন্য রাতের আঁধারে এই অপকর্মের পরিকল্পনা করেছিল। এলাকার সচেতন নাগরিকরা এই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করছে এবং পুলিশি তৎপরতার জন্য প্রশংসা করছে।
স্থানীয়দের মতে, এই চক্রটি লোভের বশবর্তী হয়ে গোপনে ও সংগঠিতভাবে এই ধরনের অবৈধ কাজ করে থাকে। কথিতว่, কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিনুর আলম জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিন্হিত করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, এই অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্ধার হওয়া জীবিত ১১টি ঘোড়াকে বর্তমানে নিরাপদে রাখা হয়েছে এবং তাদের জন্য চিকিৎসা, খাবার ও পোষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
এই ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও সতর্কতা বাড়ছে। গাজীপুরে প্রাণী সংরক্ষণ ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রন আইন অনুযায়ী, এই ধরনের অবৈধ জবাই ও বিক্রিসহ অন্যায় কাজ কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সচেতন মহল মনে করছে, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো অপরিহার্য যেন ভবিষ্যতেও এই ধরনের ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ড রোধ করা যায়। পুলিশি তৎপরতার জন্য প্রশংসা জানিয়ে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন कि দ্রুত অভিযানে ধৃতরা গ্রেপ্তার হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে।






