ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদকে (ডাকসু) বন্ধুভাবে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন জামায়াতে ইসলামীয়ের বহিষ্কৃত নেতা শামীম আহসান। এই মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশের শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। শামীম আহসান পাথরঘাটা উপজেলা কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন এবং বিটিএর পাথরঘাটা উপজেলা শাখার আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে, তাকে বরগুনা জেলা কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তাকে সদস্যপদ (রুকন) থেকে স্থগিত করে জামায়াতের কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়। গত বুধবার, পাথরঘাটা উপজেলা বিটিএ শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গোলাম করিব জানান, শামীম আহসান ডাকসু নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মনোভাব অশান্ত করেছেন। এ কারণে, মঙ্গলবার উপজেলা বিটিএ কমিটি সভায় তাকে উপজেলা কমিটির আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইসাথে, তাকে অব্যাহতি পত্র ইস্যু করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শনিবার রাতে এক নির্বাচনি জনসভায় শামীম আহসান বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, ডাকসু নির্বাচনের পর সেই ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা। তবে এখন এই পরিস্থিতি পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে, কারণ ইসলামী ছাত্রশিবির এই পরিবর্তন আনার কাজ করেছে। তাই, বাংলাদেশ থেকে সকল ধরণের অন্যায়, চাঁদাবাজি এবং দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামীরা সক্ষম।






