• প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
Sunday, April 19, 2026
Daily Nobojug
No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
Morning News
No Result
View All Result
Home আন্তর্জাতিক

ইসলাম উপস Karena আগে মধ্যপ্রাচ্যের নানা ধর্মে রোজার ইতিহাস

প্রকাশিতঃ 26/02/2026
Share on FacebookShare on Twitter

রমজান মাসে মুসলমানরা এক মাস ধরে রোজা পালন করে থাকেন। এটি ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম। তবে ইসলামের উদ্ভবের আগেও মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কিছু প্রাকৃতিক ধর্ম ও সভ্যতায় রোজার বা উপবাসের প্রথা প্রচলিত ছিল। বিবিসি এরবি বিভাগের একটি প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ধর্ম ও সভ্যতায় রোজার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ফলপ্রসূভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা ও ফেরাউনরা
প্রাচীন মিশরে মানুষ দেবতাদের সন্তুষ্টি, নৈকট্য ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য নানা আচার-অনুষ্ঠান পালন করতেন। এর মধ্যে উপবাস অন্যতম। তারা বসন্ত উৎসব, ফসল উৎসব, এবং নীলনদে প্লাবনের উৎসব উদযাপন করতেন এই উপবাসের মাধ্যমে আত্মাকে পাপ-মুক্ত করে দেবতাদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করতেন। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষকদের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে—কেউ মনে করেন, এটি কেবল পুরোহিত বা পবিত্র ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, আবার কেউ বলেন, সাধারণ মানুষও এই ritual পালন করত।

তাদের উপবাসের সময় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকত। এটি তিন দিন থেকে শুরু করে ৭০ দিন পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। এই সময় মানুষ খাদ্য, পানি, যৌন সম্পর্কসহ সব ধরনের ভোগ ব্যাহার থেকে বিরত থাকত। বিশেষভাবে, মৃত ব্যক্তিদের আত্মার শান্তির জন্যও উপবাস করা হয়েছিল। এমনকি একাধিক রোজার মধ্যে একটি ছিল, যেখানে কেবল শাকসবজি ও পানি খাওয়ার অনুমতি ছিল।

জরথুস্ত্রবাদ ও ইয়াজিদি ধর্ম
খ্রিস্টপূর্ব তিন হাজার বছরেরও বেশি আগে পারস্য ও আশপাশে জরথুস্ত্রবাদ ধর্মের সূচনা হয়। বর্তমানে এই ধর্মের অনুসারীরা ইরাক, সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান, ভারত, আফগানিস্তান ও আজারবাইজানে বাস করেন। এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা জরথুস্ত্রের শিক্ষা থেকে এই মতাদর্শের বিকাশ। শুরুতে এই ধর্মে উপবাস প্রথা ছিল না বললেই চলে, কারণ তারা মনে করতেন, উপবাস মানুষকে দুর্বল করে দেয় এবং অসুস্থতা ডেকে আনে।

তবে ইয়াজিদের মধ্যে তিন দিনের রোজার প্রথা প্রচলিত ছিল। এই রোজা সাধারণত মঙ্গলবার শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার শেষ হয়। সূর্যোদয়ে শুরু হয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা পালন করা হয়। এই রোজার সময় তারা টানা তিন দিন উপবাস করতেন এবং এর শেষে ঈদ ইজি’ নামে এক উৎসবের মাধ্যমে রোজা সমাপন করতেন। ইয়াজিদিরা দুই ধরনের রোজা পালন করেন—একটি সাধারণ মানুষের জন্য, অন্যটি ধর্মীয় বা বিশেষ শ্রেণির জন্য। শিশু, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ ব্যক্তিদের এ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আছে ‘সাওম খুদান’ নামের আরেক রোজার মতপ্রথা, যেখানে সাধু, আধ্যেত্মিক ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ মানুষ অনেক দিন ধরে রোজা পালন করেন। বেশিরভাগ সময় এই রোজা আবশ্যক নয়, তবে উপবাসের মাধ্যমে তারা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকেন।

ইহুদি ধর্ম ও উপবাস
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রাচীন আব্রাহামিক ধর্ম ইহুদি ধর্মের কেন্দ্রীয় বিষয় হলো ‘ইয়োম কিপুর’ বা প্রায়শ্চিত্তের দিন। এই দিনে ইহুদিরা পার্থিব কার্যকলাপ থেকে বিরত থেকে আত্মশুদ্ধি ও পাপ মোচনের জন্য উপবাস করে। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনই নবী মুসা সিনাই পর্বত থেকে একটি আসমানি তাওরাতের ফলক নিয়ে ফিরে আসেন। ইয়োম কিপুর দিন প্রায় ২৬ ঘণ্টার জন্য ইহুদিরা ভোগ-বিলাস থেকে বিরত থাকেন, যা তাদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র দিন।

উপবাসের সময় এরা আচার-আচরণের মধ্যে রোজা পালন করেন, গর্ভবতী ও অসুস্থ ব্যক্তিরা এ থেকে ছাড় পেতেন। এছাড়া শনি ও ধর্মীয় উৎসবের দিনে এ ধরণের উপবাস হয় না। নবীন বছর বা নিসান মাসে সাধারণত উপবাস পালন হয় না। আধুনিক ব্যাখ্যায় দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা খাবারদাবার রোজা রাখতে পারেন যাতে তাদের কর্মক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এছাড়া স্বেচ্ছা উপবাসের প্রথাও প্রচলিত, যা পাপের প্রায়শ্চিত্ত, কৃতজ্ঞতা ও ধৈর্য্য প্রকাশের জন্য পালিত হয়।

খ্রিষ্টধর্মে উপবাসের গুরুত্ব
খ্রিষ্টান ধর্মে উপবাসের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষমা চাওয়া ও সৃষ্টিকর্তার কাছাকাছি যাওয়া। বাইবেলে লেখা আছে, প্রভু ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে প্রার্থনা, মিনতি, উপবাস, ছাই ও শোকবস্ত্র পরিধান করে তার কাছে নিবেদন করতে হয়। বিভিন্ন খ্রিষ্টান গির্জা ও সম্প্রদায় তাদের নিজ নিজ ঐতিহ্য অনুযায়ী উপবাসের সময়-সীমা নির্ধারণ করে থাকে। বিশেষ করে ইস্টার উৎসবের আগে চলমান চতুর্দশ দিনের উপবাস বেশ গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে অনেকে দিনে অন্তত ১২ ঘণ্টা খাদ্য থেকে বিরত থাকেন। কেউ কেউ আরো দীর্ঘ দিন উপবাস করেন। এই ধরনের উপবাসের মাধ্যমে খ্রিষ্টানরা তাদের আধ্যাত্মিক জীবনে গভীরতা আনার চেষ্টা করে থাকেন।

সর্বশেষ

একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

April 18, 2026

সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

April 18, 2026

বিএনপির ৮ ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে বিশেষ বুকলেট—তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর

April 18, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যচুক্তি দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব ঝুঁকিতে: আনু মুহাম্মদ

April 18, 2026

মার্কিন অবরোধের মধ্যেই ইরানের বন্দরে ট্যাংকার ভিড়

April 18, 2026

পদত্যাগের চাপের মধ্যে—নিরাপত্তা যাচাইবিষয়ক গাফলের ফলে রাজনৈতিক বিচক্ষণতায় প্রশ্ন উঠল স্টারমারের বিরুদ্ধে

April 18, 2026
Daily Nobojug

হাউজ নং ৫৯৪, ৯৮, কাওরান বাজার
ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ইমেইলঃ [email protected]
বিজ্ঞাপনঃ [email protected]

সম্পাদকঃ ইসরাত রশিদ

সহ-সম্পাদক- জনি জোসেফ কস্তা

সিনিয়র সহ-সম্পাদকঃ নুরুল হুদা

উপদেষ্টাঃ নূর মোহাম্মদ

প্রকাশকঃ আলী আমিন ও মোহাম্মদ ওমর সানী

  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.

No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.