অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের তীব্র ঘাটতির কারণে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেলশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
টানা দুই মাস ধরে ক্রুড অয়েল আমদানি বন্ধ থাকায় রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলেই শোধন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে থামিয়ে দিতে হয়েছে। ইআরএলের দু’জন কর্মকর্তা সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন যে তখনই সর্বশেষ পরিশোধন কাজ শেষ হয়েছে।
যদিও জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে যে দেশে পরিশোধিত জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
সংকট মোকাবিলায় কোম্পানিটি কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় ৫ হাজার টন তেল এবং চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক ব্যবহার করেও কয়েকদিন কার্যক্রম চালিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিল। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী সমাধান ছিল না।
ইআরএলের তথ্য অনুযায়ী স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪,৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হয়। সংকটের কারণে গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে দৈনিক প্রক্রিয়া ৩,৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুদ ৪ মার্চের দিকে ২,০০০ টনের নিচে নেমে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছিল।
ইআরএল ও জ্বালানি বিভাগ উভয়েই বলেছে যে তারা পরিস্থিতি মনিটর করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সাধারণ ভোক্তা ও পরিবহন খাতে সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে আপাতত সরবরাহ ব্যাহত হবে না বলে জানানো হয়েছে।






