স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম ও হাম-এর উপসর্গে আরও ৯ শিশু মারা গেছে। এই সময়ের মধ্যে তিন শিশুর শরীরে হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা হয়েছে, আর ছয় শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ ছিল।
হাম শনাক্ত হওয়া তিন শিশুই ঢাকায় মারা গেছে। হামের উপসর্গে মারা যাওয়া ছয় শিশুর মধ্যে বরিশালে দুইটি, ঢাকায় দুইটি, রাজশাহীতে একটি এবং সিলেটে একটি মৃত্যু হয়েছে। এ হিসেবে ঢাকায় মোট পাঁচটি মৃত্যু হয়েছে।
এই তথ্য মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
দফায় দফায় প্রকাশিত সংখ্যা অনুযায়ি, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৩৪,৬৬২ শিশুর শরীরে। এই সময় ২৩,৩৪৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৯,৯৯১ শিশুকে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। একই সময়কালেই ৪,৮৫৬ শিশুর শরীরে হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২২৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে; তাৎক্ষণিকভাবে হাম শনাক্তের পর মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা ৪৭।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি নজর Keeping করছেন এবং আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত সেবা ও সংক্রমণ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।






