সরকার দেশের অভ্যন্তরে গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এবং জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এলএনজি আমদানি বাড়িয়েছে। সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে স্পট মার্কেট থেকে এখন পর্যন্ত মোট তিনটি এলএনজি কার্গো দেশে আনা হয়েছে, এবং চলতি মে মাসে আরও আটটি কার্গো আনার পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)-এর পরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান জানান, গ্যাসের চাহিদা পূরণের জন্য বিভিন্ন বাজার থেকে আরও আটটি কার্গো এলএনজি আনা হবে এবং জুন মাসে আরও চারটি কার্গো আনার জন্য ইতোমধ্যে চুক্তি সই করা হয়েছে। তিনি বলেন যে মে মাসে পেট্রোবাংলা মোট ১১টি কার্গো নিশ্চিত করেছে, যার মধ্যে তিনটি ইতোমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জুনের জন্য স্পট মার্কেট ও দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অধীনে চারটি কার্গো চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত কিছু চালানের জন্য দরকষাকষি চলছে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মোট ৯টি এলএনজি কার্গো আমদানির রেকর্ড রয়েছে; এর মধ্যে ৮টি স্পট মার্কেট থেকে এবং ১টি কাতার এনার্জির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় আনা হয়েছিল।
সরকার আমদানি উৎস বৈচিত্র্যময় করার ওপর জোর দিয়েছে—অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার অ্যাঙ্গোলাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এলএনজি নেওয়ার মাধ্যমে যে কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই সরবরাহ বজায় রাখাই লক্ষ্য। এক গণমাধ্যম সূত্রে বলা হয়েছে, নিয়মিত এই আমদানির মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের প্রয়োজনীয় প্রবাহ ধরে রাখা পেট্রোবাংলার প্রধান অগ্রাধিকার।
পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর এই পদক্ষেপটি গৃহস্থালী ও শিল্পে জ্বালানি সরবরাহ অবিচ্ছিন্ন রাখা এবং সম্ভাব্য সঙ্কট এড়ানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।






