টানা পাঁচ কার্যদিবস দরপতনের ধারা ভেঙে দেশের শেয়ারবাজার ফিরেছে ইতিবাচক মেজাজে। সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এ শেয়ারের দামে সাধারণত বাড়তি চাপ দেখা গেছে এবং সূচকগুলোও উপরের দিকে উঠে এসেছে। বিশেষত ডিএসইতে লেনদেন এক লাফে হাজার কোটি টাকার মাইলফলক পার হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
ডিএসইর দিনের চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিনের শুরু থেকেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দর বাড়তে থাকে এবং সেই ইতিবাচক ধারা লেনদেনের শেষ পর্যntil বজায় ছিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ডিএসইতে ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, ১৩৮টির দর কমেছে এবং ৬৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। লভ্যাংশদাতা শক্তিশালী কোম্পানি ও ‘জেড’ গ্রুপভুক্ত কয়েকটি শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।
সূচক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৪ পয়েন্ট বাড়ে এবং দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২২৯ পয়েন্টে। একই সময়ে ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। লেনদেনেও চাঞ্চল্য ছিল — ডিএসইতে 이날 শেয়ার হাতবদল হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেশি। দিনে সবচেয়ে বেশি লেনদেনের শীর্ষে ছিল মুন্নু সিরামিক, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং এবং অ্যাকমি পেস্টিসাইড; শীর্ষ দশে ছিল এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, এনসিসি ব্যাংক, ওরিয়ন ইনফিউশনসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই 이날 ৪১ পয়েন্ট বাড়ে। বাজারে অংশ নেওয়া ২০৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৯টির দর বেড়েছে, ৬৭টির দাম কমেছে। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ২১ কোটি ৫ লাখ টাকায়।
মোটের ওপর বাজারে আজ ফলাও একটি ঊর্ধ্বমুখী সঞ্চালন লক্ষ্য করা গেলো, যা সামান্য হলেও বিনিয়োগকারীদের পুনরায় আস্থা বাড়াতে সাহায্য করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ধারাবাহিক দরপতনের পরে এমন উত্থান স্বাভাবিকভাবেই বাজারে পজিটিভ সেন্টিমেন্ট তৈরির ফলে আরও স্থিতিশীলতার আশার সুযোগ রয়েছে, তবে বাজারের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ভর করবে কর্মদিবসগুলোয় লেনদেন ও কর্পোরেট খবরে আসা নতুন ইভেন্টগুলোর ওপর।






