ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকার একটি ভাড়া ঘর থেকে খুশি খাতুন (১৯) নামে এক হোটেলকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে সাদাতিয়া সড়কের ওই বাসায়; বুধবার (১৩ মে) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেন।
নিহত খুশি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পাগলাকানাই মোড়ের আন্তরিক হোটেল (সাবুর হোটেল) এ কর্মরত ছিলেন। বাসার মালিক বেবি খাতুন জানান, খুশি এক সপ্তাহ আগে ওই ঘরটি ভাড়া নিয়েছিলেন এবং নিজেকে সোহাগ হোসেন নামে এক রিকশা চালকের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
স্থানীয়রা বলেন, গত মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০টায় খুশি হোটেল থেকে কাজ শেষ করে সোহাগের সঙ্গে বাসায় ফেরেন। বুধবার সকালে দীর্ঘ সময় ধরে ঘরে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা খোঁজ নিতে গিয়ে দেখেন ঘরের সামনের দরজায় বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগানো এবং পেছনের দরজা খোলা। ভেতরে বিছানায় খুশির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে জানায়।
স্থানীয়দের ধারণা, রাতে কেউ ঘরে ঢুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেছেন এবং কথিত স্বামী সোহাগ পালিয়ে গেছেন। পুলিশের যদি ধরা পড়েননি।
জীবনীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ বিষয়টি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসাদউজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত চলছে।






