বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন যে রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য দেশে চারদিকে একটি সুপরিকল্পিত ও গভীর চক্রান্ত সাজানো হচ্ছে। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মাধ্যমে বর্তমান রাজনীতিকে বিবর্ণ ও ভয়াবহ এক পরিস্থিতির মুখে ফেলা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা’র স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে নানা পদ্ধতিতে রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্রহনন করা হচ্ছে—তাদের সমাজে, রাজনীতিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা চালান হচ্ছে।これは মূলত রাজনৈতিক কার্যক্রমকে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করা ও ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা সুস্থ রাজনীতির জন্য কোনো ভাল লক্ষণ নয়।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এক বড় আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের পর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু বর্তমানে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টার লক্ষ্য স্পষ্ট। সবকিছুকে ভেঙে ফেলা, বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং জনগণের মনোবৃত্তি নষ্ট করে একটি নৈরাজ্য সৃষ্টি করাই এদের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ ব্যাখ্যা করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি একটি উদার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল; এটি কোনো বিপ্লবী দল নয়। দলটি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন এবং নির্বাচন ও জনগণের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়।
স্মরণ সভায় প্রয়াত নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা ভাইয়েরা এমন সময়ে রাজনীতি করেছেন যখন রাজনীতিতে নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানুষের কল্যাণকে কেন্দ্র করে কাজ করা যেত। তারা সবসময় জনগণের সমস্যা সমাধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি তাদের আত্মত্যাগ ও কর্মমুখী রাজনীতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।






