• প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
Wednesday, October 7, 2026
Daily Nobojug
No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
Morning News
No Result
View All Result
Home সারাদেশ

এক টুকরো ব্যাগের সংকটে কোটি টাকার আমরপ্তানি ও লাভ হুমকিতে

প্রকাশিতঃ 12/06/2026
Share on FacebookShare on Twitter

নওগাঁ — দেশের উত্তরাঞ্চলের আমের রাজধানী নামে পরিচিত নওগাঁ জেলায় এই মৌসুমে ফ্রুট ব্যাগের তীব্র সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি আমচাষীদের কোটি টাকার সম্ভাবনা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। নিরাপদ, রপ্তানিযোগ্য ও কীটনাশকহীন আম উৎপাদনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ভরসার নাম ফ্রুট ব্যাগ। কিন্তু চলতি মৌসুমে ব্যাগের কমতি ও সরবরাহ বিঘ্নতায় হাজারো চাষী কাঙ্ক্ষিত ফল মেলাতে পারেননি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে নওগাঁজুড়ে প্রায় ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। এ বছর জেলার মোট আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ২২ হাজার টন। সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর ও পত্নীতলা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অবস্থিত বাগানগুলো মিলিয়ে জেলার মোট আমচাষের প্রায় ৭০ শতাংশ কভার করে। এসব বাগানে আম্রপালি, গোপালভোগ, খিরসাপাত, হিমসাগর, বারি-৪, গৌড়মতি, ব্যানানা ম্যাংগোসহ প্রায় ১৬টি জাতের আম উৎপাদিত হয়।

ফ্রুট ব্যাগিংয়ের মাধ্যমে আমের গায়ে দাগ-চিহ্ন কমে, পোকার আক্রমণ ও কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পায়। ফলে ফলের গুণগত মান অনেকটাই বৃদ্ধি পায় ও বিদেশি বাজারে রপ্তানির সামর্থ্য বাড়ে। সাধারণত খোলা অবস্থার আম যেখানে প্রতি মণ সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়, সেখানে ভালো মানের ব্যাগিং করা আম প্রকারভেদে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। গত মৌসুমে যেখানে প্রতিটি ফ্রুট ব্যাগ ৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে পাওয়া গিয়েছিল, এবার সেই ব্যাগ কিনতে হচ্ছে প্রায় ৬ টাকা ২০ পয়সায়। তবু যোগান নেই চাহিদার তুলনায়। ফলে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেলে অনেক চাষী নির্ধারিত পরিমাণ আমে ব্যাগিং করতে পারেননি — উন্নতমানের আম উৎপাদন ও অতিরিক্ত লাভের সুযোগ হরিয়ে গিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে দিয়েছে।

পোরশা উপজেলার বন্ধুপুরার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা রায়হান আলম বলেন, তাঁর ২২০ বিঘা জমিতে আম্রপালি, গৌড়মতি ও বারি-৪ সহ বিভিন্ন জাতের আমের বাগান আছে। আন্তর্জাতিক মানে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে তিনি ৬০ বিঘা জমির প্রায় ৫ লাখ আমে ব্যাগিং করার পরিকল্পনা করেছিলেন। প্রয়োজনীয় সময় মত ব্যাগ না পাওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত গৌড়মতি জাতের প্রায় সাড়ে ৪ লাখ আমে ব্যাগিং করতে পেরেছেন। রায়হান বলেন, “ফল বিক্রয়ে ব্যাগিং করলে দাম বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু ব্যাগের সংকট ও দাম বাড়ায় এ বার সেই অতিরিক্ত অঙ্কের লাভ থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।”

পোরশা উপজেলার আরেক কৃষক বাবুল আক্তার জানালেন, তাঁর ১৬ বিঘা জমির অর্ধেকই আম্রপালি। গত বছর ২০ হাজার আমে ব্যাগিং করে ভালো দাম পেয়েছিলেন, তাই এ বছর ৫০ হাজার আমে ব্যাগিং করার পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু পর্যাপ্ত ব্যাগ না পাওয়ায় মাত্র ১০ হাজার গৌড়মতি আমেই ব্যাগিং করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, “গত বছর যে ব্যাগ ৩ টাকা ৮০ পয়সায় কিনেছিলাম, এবার সেই একই ব্যাগ কিনতে হয়েছে ৬ টাকা ২০ পয়সায়। ব্যাগিং না করতে পারায় পোকার আক্রমণও বেড়েছে এবং ফলের মানে খারাপ অনুপ্রবেশ ঘটেছে।”

চাষীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে, গত কয়েক বছরে নতুন করে অনেক বাগান রোপণ করা হয়েছে। তিন থেকে চার বছর আগে রোপিত গাছগুলো এখন পূর্ণমাত্রায় ফল দিচ্ছে; এ কারণে হঠাৎ করে ফ্রুট ব্যাগের চাহিদা বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে নিরাপদ ও রপ্তানাযোগ্য আম উৎপাদনের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ায় ব্যাগের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সরবরাহ ব্যবস্থা সেই তালে সাথে তাল মিলাতে পারেনি।

চাষীরা আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতার কারণে তারা সরাসরি বিদেশ রপ্তানি করতে পারেন না। ফলে বাধ্য হয়ে মধ্যস্বত্বভোগী ও রপ্তানিকারকদের কাছে কম দামে আম বিক্রি করতে হচ্ছে। রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজ হলে জেলা-স্রোত অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে এবং চাষিরা ন্যায্য মূল্য পাবে — তাদের দাবি।

এ বিষয়ে নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. হোমায়রা মণ্ডল বলেন, ফ্রুট ব্যাগ রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। উত্তম কৃষি চর্চা (গ্যাপ) অনুসরণ করে নিরাপদ আম উৎপাদনে কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর ব্যাগের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। মৌসুম শেষে হঠাৎ করে চাহিদা বাড়ায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় পরিমাণ ব্যাগ সময় মতো সরবরাহ করতে পারেনি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চাষিদের আয় ও জেলার আম রপ্তানি সম্ভাবনা রক্ষায় সময়মতো ব্যাগ সরবরাহ, মূল্য স্থিতিশীলতা ও রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ জরুরি হয়ে উঠেছে। না হলে নওগাঁর কৃষি অর্থনীতি ও কৃষকের সম্ভাব্য কোটি কোটি টাকার আয় বিপদের মুখে পড়বে—চলতি মৌসুমের অভিজ্ঞতা তা ইঙ্গিত করছে।

সর্বশেষ

বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে মক্কা জোটে যোগের আগে, শামা ওবায়েদ

September 1, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে সহায়তার প্রস্তুতি: সারাহ আলড্রিচ

September 1, 2026

দুই বছরের মধ্যে নির্বিঘ্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

September 1, 2026

চাপে নয়, চাহিদার কারণে বোয়িং বিমান কেনা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

September 1, 2026

প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা: বিএনপি আর সংসদীয় গণতন্ত্রের অবদান

September 1, 2026

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান: জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করুন, কিন্তু সংবিধান সংশোধনে অনাগ্রহ

August 31, 2026
Daily Nobojug

হাউজ নং ৫৯৪, ৯৮, কাওরান বাজার
ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ইমেইলঃ [email protected]
বিজ্ঞাপনঃ [email protected]

সম্পাদকঃ ইসরাত রশিদ

সহ-সম্পাদক- জনি জোসেফ কস্তা

সিনিয়র সহ-সম্পাদকঃ নুরুল হুদা

উপদেষ্টাঃ নূর মোহাম্মদ

প্রকাশকঃ আলী আমিন ও মোহাম্মদ ওমর সানী

  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.

No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.