একটি কল্যাণমুখী সমাজ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার দেশের সকল নাগরিকের জন্য একটি কার্যকর ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, কেউ অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে না। আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নবনির্মিত সম্প্রসারিত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্যখাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, আগামী অক্টোবর মাসে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী ও কুমিল্লা অঞ্চলে একযোগে ২০০ শয্যাওয়ালা বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। পাশাপাশি, দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করেছে, যা দেখিয়ে দেয় তারা একটি সুস্থ ও সবল বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভূমিকার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সরকারের বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব হলেও স্বাস্থ্যখাতের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে পেশাদারিত্ব ও সেবামূলক মানসিকতার উপর। তিনি আরও বলেন, “সরকার দেশের মানুষের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যাতে তারা দেশের ভেতরেই সব রকমের স্বাস্থ্য সেবা সহজে পায়।” দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক, মানসম্মত ও দ্রুত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া এই সরকারের মূল লক্ষ্য।






