সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন দেশের মানুষের প্রধান আশা ও প্রত্যাশা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশে গণমানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে নির্বাচনের মাধ্যমে, যেখানে সত্যিকার গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সরকার গঠন হবে। তিনি এ কথা বলেন শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল পৌনে ৪টায় কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ তাঁদের ভোটের অধিকার প্রয়োগের জন্য উৎকণ্ঠিত। ভোটের পরিবেশ শান্ত ও সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে হবে এবং নির্বাচনী মাঠে সবাই জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকেও।
বিএনপির এই নেতা কক্সবজগার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি হিসেবে একদিনের সফরে কক্সবাজার আসেন। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টায় তিনি ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছেন এবং পরে নুনিয়ারছড়ার এক মসজিদে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেন। এরপর তিনি সম্প্রতি নিমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা দৈনিক আমার দেশের কক্সবাজার স্টাফ রিপোর্টার আনসার হোসেনের শিশুপুত্র রিতাজ হোসেনের কবর জিয়ারত করেন। মরহুমের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকাহত স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
বিকেল মধ্যাহ্নভোজনের পরে, সালাহউদ্দিন আহমদ মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের জন্য নিজ বাসভবন থেকে পেকুয়া শহরে যান। কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে প্রথম দিনকার সভায় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) ও কক্সবাজার-২ (মহেশখালী কুতুবদিয়া) আসনের প্রার্থী মনোনয়নপত্রের যাচাই শুরু হয়। এতে কক্সবাজার-১ আসনে মনোনয়নপত্রপ্রাপ্ত পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম অবৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ফলে, এই আসনের মধ্যে এখন বৈধ মনোনয়নপত্র পেয়েছেন তিন প্রার্থী।
সাবেকদের মধ্যে রয়েছেন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতের কক্সবাজার শহর শাখার আমির আব্দুল্লাহ আল ফারুক, ও গণঅধিকার পরিষদের আব্দুল কাদের। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তিনি পেকুয়ার নিজ বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দেন।






