বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে। এই বিশিষ্ট নেত্রীর জন্য প্রার্থনা করতে আজাদ মসজিদে উপস্থিত হন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল চারটার দিকে তিনি গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) এসে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন।
তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র অন্যান্য শীর্ষ নেতা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নামাজ শেষে তিনি খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তার আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময়ে তার স্বল্পদূর অবস্থান থেকে তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, শামিলা রহমান সিঁথি, জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, চিফ হুইপ, যুগ্ম মহাসচিব, নেতারা এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এই দোয়ায় অংশ নেন। এ ছাড়া, এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরাও, যারা collectively খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও শান্তি কামনা করেন।
অন্যদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী সর্বস্তরের মানুষের শোক প্রকাশের ধারাবাহিকতা হিসেবে, বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন এই দোয়া মাহফিলে। এবาสংর্বন্ধে শোক প্রকাশ ও খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
এটি আশা করা হয় যে, আল্লাহপাক খালেদা জিয়াকে জান্নাতের বসবাস দেন। ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়, যার মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও শোকের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে, ২৩ নভেম্বর থেকে চিকিৎসাধীন থাকা খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এর পরদিন, বুধবার তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ও জানাজা শেষে স্বামী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সোহরাবাদে সম্পন্ন হয় দাফন কর্মসূচি।






