লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে বার্সেলোনাকে পিছনে ফেলে শীর্ষস্থান পুনঃঅধিকার করল রিয়াল মাদ্রিদ। গতকাল শনিবার রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অনুষ্ঠিত টানটান ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়েরের চমৎকার জোড়া গোলের ওপর ভর করে रিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ ব্যবধানে পরাস্ত করে লস ব্লাঙ্কোসরা। এই জয় দিয়ে তারা সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টানা দশ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়েছে। আল্ভারো অ্যারেবালোয়ার দল এখন আত্নবিশ্বাসের ঝিলিক নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, যদিও বার্সেলোনা এক ম্যাচ কম খেলে তাদের থেকে দুই পয়েন্ট পেছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকে রিয়াল মাদ্রিদ আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলছিল। মাত্র পঞ্চম মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আর্নল্ডের ক্রস থেকে গনসালো গার্সিয়া দুর্দান্ত এক শট দিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। তবে ২১তম মিনিটে সোসিয়েদাদ সমতা ফেরায়, ইয়াঙ্গেল হেরেরাকে ফাউল করে পাওেয়ে পেনাল্টির সুযোগ পান অতিথিরা। সফল হন অধিনায়ক মিকেল ওয়ারজাবাল এবং স্কোরলাইন ১-১ হয়।
তবে এর কিছুক্ষণ পরই আবারও ভিনিসিয়ুস জুনিয়ুসের অসাধারণ ড্রিবল ও বলের নিয়ন্ত্রণে নিজেকে দারুণ প্রমাণ করেন। জন আরামবুরু তাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পান রিয়াল, সেখান থেকে গোল করে দলকে আবারও এগিয়ে দেন। বিরতির আগে ৩১তম মিনিটে ফেদেরিকো ভালভার্দের জোড়া গোলের মাধ্যমে লীগে তার প্রথম গোলটি করেন, যা দলের অগ্রগতিতে বড় অনুপ্রেরণা দেয়।
বিরতির পর ভিনিসিয়ুসের দ্বিতীয় পেনাল্টি ও দলের পঞ্চম গোলের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত হয় রিয়ালের। এই সময়ে দানি কারভাহাল মাঠে ফিরে আসেন, যা দলের জন্য বড় ক্ষণ ছিল। এই ম্যাচে বিশেষ কোন বড় খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি ছিল, কিলিয়ান এমবাপে ও জুড বেলিংহাম মাঠে নামেননি। বাঁ হাঁটুর চোট ও হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে তারা খেলতে পারেননি। তবে সেটির প্রভাব পড়েনি রিয়ালের পারফরম্যান্সের ওপর।
অপর দিকে, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগামী ম্যাচের আগে এই চিত্র ক্রীড়া দলে বড় আত্মবিশ্বাস যোগিয়েছে। এখন তারা সোমবার জিরোনা ক্যাসেলেনার বিপক্ষে বার্সেলোনার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, তবে লা লিগাতে শীর্ষস্থান রিয়ালেরই দখল।






