প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, সরকারের দুই মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন ধারাবাহিক ও ফলপ্রসূ উদ্যোগ নিয়ে দেশের অগ্রগতির পথ প্রস্তুত করছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নেয়া ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, এগুলো দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতেও এই ইতিবাচক ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। তিনি একই সঙ্গে সরকারের কর্মকর্তাদের তথ্যভিত্তিক বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করবে; কিন্তু তারা সংসদে হট্টগোল, রাজপথে আন্দোলনের হুমকি, গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো ইত্যাদি করে দেশের অগ্রযাত্রার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করে এগোবার দৃঢ় সংকল্প সরকার ব্যক্ত করেছে।
মাহদী আমিন সংবাদ সম্মেলনে ৬০টি পদক্ষেপের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন—
1. নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলট প্রকল্প শেষ করা হয়েছে; বর্তমানে ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
2. কৃষকদের জন্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ১০টি সুবিধা ও নগদ অর্থায়নসহ ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে।
3. প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকার পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।
4. সাংবিধানিক ও আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
5. সারাদেশে ২০,০০০ কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; ইতিমধ্যে ৫৪ জেলায় কাজ শুরু হয়েছে।
6. বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়েছে।
7. জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে মোট ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে; ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ১০,০০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
8. জ্বালানি নেওয়ার জন্য ফুয়েল কার্ড পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
9. পবিত্র রমজানসহ চলতি সময়ে দুর্যোগজনক বৈশ্বিক ও দেশীয় পরিস্থিতির ওপরেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সফল হয়েছেন সরকার।
10. ঈদ-উল-ফিতরের সময় সারাদেশে অসহায় ও দরিদ্রদের ত্রাণ ও উপহার বিতরণ করা হয়েছে; জাকাত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
11. শিগগিরই প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
12. হজযাত্রার খরচ কমানো হয়েছে; টিকিট প্রতি প্রায় ১২,০০০ টাকা সাশ্রয় করা হয়েছে এবং দেশীয় মাটিতে প্রথমবারের মতো ‘নুসুক হজ কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে।
13. সরকারি মন্ত্রণালয় ও অফিসে শূন্য থাকা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
14. পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে চিনিকল, রেশম ও পাটশিল্প।
15. ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা তৈরি করে সেগুলোতে সম্ভাব্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম গঠন শুরু করা হয়েছে।
16. অর্থনৈতিক উন্নয়নকে শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে নানামুখী বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে; প্রধান লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে রূপান্তর।
17. পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তব জিডিপি বৃদ্ধিকে ৮ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি কমানো এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
18. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণের জন্য ১০০ কোটি টাকার পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
19. শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ঈদের আগে সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধাদি পরিশোধ করা হয়েছে।
20. দীর্ঘদিন পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খুলছে; দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও প্রবাসী কল্যাণের অঙ্গীকার এসেছে।
21. ইউরোপের সাতটি দেশের সঙ্গে বিকল্প শ্রমবাজার গঠনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে (সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল, রাশিয়া)।
22. দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির ওপর গুরুত্ব দিয়ে দেশের বিদেশি কর্মসংস্থান বাড়ানো হচ্ছে।
23. উত্তরবঙ্গকে অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
24. পে-পাল ও অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
25. প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে; নিয়োগে নারী ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
26. সঠিক ও গুণগত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।
27. শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিবছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; ভর্তি প্রক্রিয়া লটারি ভিত্তির পরিবর্তে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে করা হবে এবং শিক্ষাবৃত্তির পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে।
28. বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় অনুদানে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
29. বিভিন্ন পর্যায়ে ৯,০০০ ধর্মীয় শিক্ষক ও অন্যান্য শূন্য পদের জন্য শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
30. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; উপজেলা পর্যায়ে ছয় খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়েছে এবং মহানগরেও উন্মুক্ত খেলার মাঠ গড়া হচ্ছে; আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক থাকবে।
31. শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা পুনরায় শুরু হয়েছে; এবার ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত সংযুক্ত করা হয়েছে; জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং বইপড়াকে উৎসাহিত করতে বেসরকারি সেক্টরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ নেয়া হবে।
32. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে; ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ পাইলটও শুরু হয়েছে।
33. প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষাক্রম সমৃদ্ধ করার জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’, কারিগরি শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
34. মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করতে স্মার্ট ক্লাসরুম, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
35. স্পোর্টস কার্ড ও স্পোর্টস অ্যালাউন্স কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যেখানে শতাধিক ক্রীড়াবিদকে ইতিমধ্যে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।
36. আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ চারা উৎপাদন করা হয়েছে; এগুলো বৃষ্টির মৌসুমে রোপণ করা হবে।
37. রাষ্ট্রীয় ভবন ব্যবহার না করে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত বাসভবন ও গাড়ি ব্যবহার করছেন, নিজ ব্যয়ে তেল ব্যবহার করছেন—যা রাষ্ট্রীয় ব্যয় হ্রাসে সহায়ক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
38. প্রধানমন্ত্রীর অফিস সময় ও সরকারি চলাফেরায় সাধারণতন্ত্র বজায় রেখে অফিসসময়সহ ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিত করা হয়েছে; শনিবারেও তিনি কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
39. দালালদের হস্তক্ষেপ রোধে নামজারি ও সেবাগ্রহীতাদের অনলাইন আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; নগদ লেনদেন কমাতে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে এবং ডিজিটাল ম্যাপিং পাইলটের মাধ্যমে নকশা জালিয়াতি বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে; ২৪/৭ হটলাইন চালু করা হয়েছে।
40. পদ্মা অববাহিকার কৃষি অঞ্চল মরুকরণ থেকে রক্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করতে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়েছে।
41. এমপি-মন্ত্রীদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় घटবে।
42. পাটজাত পণ্য ব্যবহারে প্রাধান্য দিয়ে সরকারি অফিস ও বেসরকারি শিল্পখাতে পাটজাত পণ্য ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
43. ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে; স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটির সমন্বয়ে কর্মসূচি চলছে।
44. দীর্ঘদিন পর হামের টিকাদান কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং দ্রুত সারাদেশে টিকা প্রদান লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
45. চাঁদাবাজি রোধে গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে; জনবান্ধব পুলিশ গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
46. ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস ও নারীদের জন্য নিরাপদ ‘পিংক বাস’ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
47. জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে; নদী দখল ও দূষণকে ফৌজদারি অপরাধ ভাবার বিধান রেখে কঠোর শাস্তির প্রস্তাব রাখা হয়েছে (সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড)।
48. বিদ্যুৎ ও অর্থ অপচয় রোধে রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিত করা হয়েছে এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য ১১টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
49. প্রথমবারের মতো এনটিআরসি-র মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগে মেধাভিত্তিক পরীক্ষা চালু করা হচ্ছে।
50. দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়াতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা ত্বরান্বিত করা হয়েছে; ২০২৯ সালে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক দরপত্র আগামী মাসে আহ্বান করা হবে।
51. ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন ও ভিন্ন স্থানে ব্যবসা পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
52. সরকার উদার, গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে বিশ্বাসী এবং গত দুই মাসে মুক্ত মতপ্রকাশ, স্বাধীন গণমাধ্যম ও চিন্তার পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।
53. বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কৌশলগত সমন্বয়ের মাধ্যমে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
54. ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরে ফ্রি ইন্টারনেট সেবা চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরে তা উদ্বোধন করা হয়েছে।
55. চলন্ত ট্রেনের যাত্রীদের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট সেবার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ আধুনিকায়নে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ২,৩৩৬টি কারিগরি ও ৮,২৩২টি মাদ্রাসায় ফ্রি ওয়াইফাই চালুর পরিকল্পনা আছে।
56. সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে; প্রবাসীদের কল্যাণ, দূতাবাস ও মিশনকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আকর্ষণে ব্যবহার করা হবে।
57. পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সম্পর্ক শক্তিশালী করা হচ্ছে; সীমান্ত হত্যা বন্ধ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুবিধা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।
58. বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশের সঙ্গে সম্পদ শনাক্তকরণ ও পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।
59. উপকূলীয় অঞ্চলে নদীভাঙন রোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে।
60. মানবাধিকার সুরক্ষা বিএনপির ইশতেহারের একটি মূল প্রতিশ্রুতি; গত দুই মাসে সরকারের এই বিষয়ে গড়ানো রেকর্ড জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মাহদী আমিন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এগুলো তুলে ধরে বলেন, সামনে একইভাবে কাজ করে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা হবে এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।






