ঢাকার জনপ্রিয় ও স্নিগ্ধ অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পর্দায় ফিরছেন। অনিয়মিত কর্মজীবনের মাঝেও দর্শকপ্রিয়তা ধরে থাকা এই অভিনেত্রী এবার একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে কমব্যাক করছেন। সালেহ সোবহান অনীম পরিচালিত ‘হেডলাইন’ নামের এই সিরিজটি ২৫ জুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই-তে মুক্তি পাবে—এ তথ্য অনুষ্টানিকভাবে সিরিজটির টিজার সোমবার বিকেলে প্রকাশের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
বিন্দুর কর্মজীবন দেখলে দেখা যায়, দীর্ঘ ১০ বছরের বিরতি কাটিয়ে তিনি ২০২৩ সালে ‘উনিশ ২০’ ওয়েব ছবির মাধ্যমে প্রথমবার আবারো অভিনয়ে ফিরেছিলেন। এরপর আবার কয়েকবছর পর্দার বাইরে থেকে এই বার্তা ফিরেছেন ‘হেডলাইন’-এর মাধ্যমে। এই সিরিজে বিন্দু অভিনয় করেছেন ‘আইরিন’ নামের এক চরিত্রে—টিজার অনুসারে তিনি একজন দক্ষ ‘সমস্যা সমাধানকারী’ হিসেবে ঘটনাপ্রবাহে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর রহস্যময় উপস্থিতি ও ভিন্নধর্মী আচরণ দর্শকদের মধ্যে নতুন কৌতূহল জাগিয়েছে।
১ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের টিজারে সিরিজের মূল কাহিনির কিছু সারমর্ম দেখানো হয়েছে। সেখানে দেখা যায় কিভাবে সংবাদ সংগ্রহের পেছনে সাংবাদিকরা নিরন্তর ছুটে বেড়ান এবং সেই পোস্টের অন্তরালে লুকিয়ে থাকতে পারে নানা ষড়যন্ত্রের অন্ধকার জাল। কেন্দ্রীয় ভূমিকায় বিন্দুর পাশাপাশি আছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও তরুণ অভিনেতা ইয়াশ রোহান। অপূর্বর চরিত্রটি একজন অভিজ্ঞ সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে উপস্থাপিত, আর ইয়াশ here একজন উদ্যমী তরুণ রিপোর্টারের ভূমিকায়। তাদের পেশাগত চ্যালেঞ্জের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েনই এই গল্পের মূল উপজীব্য।
জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, ইয়াশ রোহান ও বিন্দুর পাশাপাশি সিরিজটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সারিকা সাবরিন, শ্যামল মাওলা, ফারহানা হামিদ ও ইন্তেখাব দিনার। পরিচালকের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সময়ের অস্থিরতার মাঝে দর্শকদের কাছে একটি ভিন্নধর্মী কিন্তু আরামদায়ক গল্প পৌঁছে দিতে চান তিনি। ‘হেডলাইন’ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার আবহে তৈরি করা একটি ধ্রুপদী পারিবারিক ড্রামা—এমনটাই অনীমের ব্যাখ্যা।
টিজার প্রকাশের পর থেকে সামাজিক মাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে অপূর্বর সঙ্গে বিন্দুর নতুন রসায়ন এবং ইয়াশ রোহানের আনার সঙ্গে ভক্তরা উচ্ছ্বসিত। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইও এই মাসের অন্যতম আকর্ষণীয় উপস্থাপনা হিসেবে ‘হেডলাইন’কে এগিয়ে ধরেছে। আগামী ২৫ জুন থেকে দর্শকেরা পূর্ণাঙ্গ সিরিজটি উপভোগ করতে পারবেন—এখন দেখার বিষয় সাংবাদিকতা ও পারিবারিক রহস্যের এই সমন্বয় দর্শকদের প্রত্যাশা কতটা মেটাতে পারে।






