সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতনে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ উভয়ই কমেছে; অথচ অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) উল্টোভাবেই সূচক ও লেনদেন বেড়েছে।
দিনটি ডিএসইতে সকালের দিকে ইতিবাচক দিক থেকে শুরু হলেও শেষের দিকে শক্ত বিক্রয়চাপ বাজারকে নিম্নমুখী করে দেয়। প্রধানত বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্ত কোম্পানি들의 শেয়ার দর কমে যাওয়ায় সূচকগুলোই আজ চাপের মুখে পড়ে। এদিন ডিএসইতে ১৬০ প্রতিষ্ঠান শেয়ারের দর বাড়ায়, ১৮০টির দাম কমে এবং ৫০টির দর অপরিবর্তিত থাকে। বিশেষভাবে নজর কাড়ে ডিএসই-৩০ সূচকের মধ্যে ৩০টির মধ্যে ২১টির শেয়ারের দাম কমে যাওয়া; যা সমগ্র বাজারকে নিম্নমুখী করতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ১০ শতাংশ বা ততোধিক লভ্যাংশ ঘোষণা করা ৯৫টি কোম্পানির শেয়ারের দামও কমেছে।
সূচক পরিবর্তনে দেখা গেছে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৮ পয়েন্ট নামিয়ে ৫৭৮১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ২১৮১ পয়েন্টে গেছে। বিপরীতে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১১৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেনের দিক থেকে ডিএসইতে এদিন মোট ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, মালেক স্পিনিং এবং ব্র্যাক ব্যাংক।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে দেখা গেছে উল্টো প্রবণতা। সিএসইর সামগ্রিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৪২ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেয়া মোট ২৫০ প্রতিষ্ঠান থেকে ১২৯টির দামে উত্থান এবং ১০০টির দামে পতন হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইতে বড় খাতের দরপতনের মাঝে সিএসইতে ছোট ও মাঝারি মানের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ইতিবাচক গতি থাকার কারণে চট্টগ্রামের বাজার তুলনামূলকভাবে ভালো ছাপ রেখেছে।






