বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করে গেলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে স্থিতিশীল ও ভালো সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব নয়; এজন্য দিল্লিকে এই রক্তপাত অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
রোববার ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে (২০২৬) তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অনেকেই অত্যন্ত ভালো বলে অভিহিত করেন। তবুও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে সম্প্রতি দু’জনকে গুলি করে হত্যা করা হলো—এগুলো কী কী ঘটনার ইঙ্গিত?’’ তিনি প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, ‘‘এটা তো বাংলাদেশ—এখানকার মানুষই ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে, নিজের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। ঠিক একইভাবে ভারতও তাদের স্বতন্ত্রভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের চাই সবাই শান্তিতে থাকুক এবং একটি সৎ, প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকুক।’’
তিনি current সরকারের বিষয়েও বলেন, সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার; তাই দেশের প্রতিটি পেশার মানুষ—যারা উন্নয়ন ও উৎপাদনে অবদান রাখে—তাঁদের স্বার্থ রক্ষা করেই সরকারের নীতি-কার্যকর্ম পরিচালিত হবে এবং এর বাইরে কোনো প্রশাসনিক বিচ্যুতি সহ্য করা হবে না। যদি সরকার স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট বা বিনা ভোটের অগণতান্ত্রিক হত, তাহলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো, যোগ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, প্রায় ১৬–১৭ বছর পর দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি এসেছে দীর্ঘদিনের দাবি, সংগ্রাম, রাজপথের আন্দোলন, নিপীড়ন-নির্যাতন, গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার মতো প্রতিকূলতায় উত্তীর্ণ হয়ে। তিনি বলেন, ‘‘জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে সেই সংগ্রাম চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করেছে’’ এবং এজন্য তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বর্তমান সরকার সবক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।






