সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং সাবেক জাতীয় সংসদের স্পিকার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এবং কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পিতৃ पहचान হলেন শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুর ঘটনায়। প্রধানমন্ত্রী মরহুমদের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকবার্তায় বলেন, তারা দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ একজন প্রজ্ঞাবান ও অভিজ্ঞ নেতা ছিলেন। ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন প্রজ্ঞাবান, সৎ ও সাহসী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার দীর্ঘদিনের কর্মজীবনে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, শিক্ষামন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। তাঁর অবদান দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গঠন, সংসদীয় সংস্কৃতি বিকাশ ও নাগরিকের রাষ্ট্রীয় অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিস্মরণীয়। তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠায় অবিচল ছিলেন, সবসময় আদর্শের সঙ্গে অটুট থাকতেন। তার সংগ্রামী জীবন ও অসংখ্য সংগ্রাম দেশ ও জনগণের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, দেশ তার মৃত্যুতে একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, প্রজ্ঞাবান নেতা এবং দেশপ্রেমিক হারালো। তার অসমাপ্ত কাজগুলো ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবে। তিনি মরহুমের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে মাগফিরাত কামনা করেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার প্রার্থনা করেন। এই শোক বার্তায় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি, কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পিতৃ পরিচিতি শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুও গভীর শোকের কারণ। তারেক রহমান কাতারের নেতৃবৃন্দ, রাষ্ট্রপরিবার ও দেশটির জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি ছিলেন একজন দূরদর্শী এবং প্রাজ্ঞ নেতা, যাঁর নেতৃত্বে কাতার আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তার নেতৃত্বে আঞ্চলিক শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে, যা ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। প্রধানমন্ত্রীর শেষ দিকে বলেছিলেন, মরহুমের আত্মার বিনীত চাওয়া ও আল্লাহর দরবারে দোয়া, যেন তার আত্মার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস নিশ্চিত হয় এবং তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও সকল বন্ধুর জন্য ধৈর্য ও সাহসের প্রতিদান প্রদান করা হয়।






