প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের অধিবেশনে বলেছেন, রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নিরীক্ষা ও খরচ সাশ্রয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর জন্য সরকার কঠিন পরিশ্রম করছে, তবে দেশের উন্নয়ন ও জনস্বার্থের সাথে সংশ্লিষ্ট অপ্রিহার্য খাতে অর্থ বরাদ্দে কোনও টলটলি করা হবে না। এই তথ্য জানাতে তিনি ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, সরকারি লক্ষ্য হলো দেশের অগ্রগতি থেমে না গিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়া। তিনি আশাবাদী, সমাজের প্রতিটি স্তরে যদি প্রত্যেকে তার দায়িত্ব সৎভাবে পালন করেন, তবে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এর পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, ‘অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা কর হচ্ছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় খাতে বিনিয়োগ না করে কিছুই হবে না।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, রাজস্ব নিয়ে জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বিভ্রান্তি দূর করাই বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে এবং প্রত্যেকে যেন তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন, সেটাই মূল লক্ষ্য। তিনি নিশ্চিত করেছেন, আমাদের এগিয়ে যেতে হলে সব পক্ষকে একত্রে দৃঢ়ভাবে সংগঠিত হতে হবে।
উচ্চ পর্যায়ের এই সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য, কমিশনার ও বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, কর ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।






