সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো দ্রুত মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হতে পারে—এমন খবর পাওয়া গেছে। গত সোমবার (৬ জুলাই) ওই সংক্রান্ত একটি কমিটির সভায় এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
সভা সূত্রে জানা যায়, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ প্রস্তুত করতে গঠিত কমিটি আগামী সপ্তাহে পুনরায় বৈঠক করবে। এর পর সচিব কমিটির সুপারিশ পরের সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। মন্ত্রিসভা চাইলে সুপারিশে পরিবর্তন, সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে গেজেট জারি করে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে।
সরকার ইতোমধ্যে চলতি মাসের প্রথম তারিখ থেকে নবম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। তবে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা নির্ধারণে ‘জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫’ বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছে। কমিটির সদস্যদের প্রায়মতে মূল বেতন চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া উচিত এবং বিভিন্ন ভাতা আগামী অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা উপোযুক্ত হবে—তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঠিক করা হবে মন্ত্রিসভা দ্বারা।
সূত্র বলছে, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো। তাই ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনামূলকভাবে বেশি বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ আসার সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন বাড়বে উল্লেখযোগ্য হলেও কিছুটা সীমিতভাবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম-নবম গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির সীমা হতে পারে প্রায় ৬০–৭০ শতাংশ, আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে এটি হতে পারে ৯০–১০০ শতাংশ পরিমাপে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে কীভাবে ও কখন নতুন কাঠামো কার্যকর হবে—সেই দিকগুলো মন্ত্রিসভায় চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে।






