পবিত্র ঈদুল আজহার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে দেশের ১০৩টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পেয়েছে মেগাস্টার শাকিব খানের আলোচিত ছবি ‘রকস্টার’। ঈদের প্রথম দিন থেকেই রাজধানীর আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স থেকে শুরু করে জেলায়-উপজেলার একক প্রেক্ষাগৃহ পর্যন্ত ছবিটি ব্যাপক আকারে প্রদর্শিত হচ্ছে।
আজমান রুশো পরিচালিত এ চলচ্চিত্রটি মুক্তির আগেই প্রচারণায় সরব ছিল এবং ট্রেলারের মাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহলের জোরালো সৃষ্টি করেছে। গল্পের মূল উপজীব্য একজন জনপ্রিয় রকস্টারের উত্থান-পতন; খ্যাতি ও গ্ল্যামারের আড়ালে একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত টানাপোড়েন, মানসিক দ্বন্দ্ব ও সামাজিক বাস্তবতার আবেদন here শৈল্পিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
শাকিব খানের বিপরীতে ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েক। বড় বাজেটের এই ছবিতে শাকিবকে নতুন ও ভিন্নধর্মী গেটআপে দেখা যাচ্ছে, যা ইতোমধ্যে ভক্ত এবং চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
ঢাকার প্রেক্ষাগৃহ তালিকায় ‘রকস্টার’-এর অবস্থান যথেষ্ট শক্তিশালী। স্টার সিনেপ্লেক্সের সব শাখা—বসুন্ধরা সিটি, এসকেএস টাওয়ার (মহাখালী), সীমান্ত সম্ভার, সনি স্কয়ার (মিরপুর), মিলিটারি মিউজিয়াম ও উত্তরা সেন্টার পয়েন্ট—এসবে নিয়মিত শো চলছে। এছাড়া যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাস, কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাস, টঙ্গীর সাবা সোহানা সিনেপ্লেক্স এবং নারায়ণগঞ্জের সিনেস্কোপেও ছবিটি মুক্তি পেয়েছে।
মাল্টিপ্লেক্স ছাড়াও ঢাকার ঐতিহ্যবাহী একক হলে যেমন মধুমিতা, শ্যামলী, আজাদ, আনন্দ, সৈনিক ক্লাব ও গীত প্রেক্ষাগৃহগুলোতেও দর্শকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও রংপুরসহ দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলায় ছবিটি প্রতিদিনের শোতে চলছে।
এবারের ঈদে মুক্তি পাওয়া হাফ-ডজন ছবির মধ্যেও দর্শক চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ‘রকস্টার’। হল সংখ্যা ও প্রদর্শনের পরিধি বিবেচনায় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছবিটি অন্যান্য মুক্তিগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে। দর্শক প্রতিক্রিয়া ও টিকিট বিক্রির ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতেও প্রেক্ষাগৃহে ‘রকস্টার’-এর উপস্থাপনা জোরাল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।






